Darjeeling-Kalimpong: বাংলা ভাগ করে গোর্খাল্যান্ড তৈরি করার সময় হয়েছে জানালেন গুরুং

25
Bimal Gurung-Mamata Banerjee

উত্তরবঙ্গ আলাদা কেন্দ্রশাসিত এলাকা গঠনের জন্য রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপি নেতারা বারবার বার্তা দিয়েছেন। রাজ্য ভাঙবে এই বিতর্ক প্রবল। তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানিয়েছে রাজ্য ভাঙার জন্য বিধানসভায় সর্বসম্মতিক্রমে প্রস্তাব পাশ করাতে হবে। আর বঙ্গ বিজেপির দাবি, ডিসেম্বরেই তৃণমূল কংগ্রেস সরকার পড়ে যাবে। এই বিতর্কের মধ্যে পৃথক গোর্খাল্যান্ড দাবিতে ফের সরব বিমল গুরুং। দার্জিলিং (Darjeeling) ও কালিম্পং (Kalimpong) জেলাকে নিয়ে গোর্খাল্যান্ড (Gorkhaland) গঠনের সময় এসে গেছে বলে জানিয়েছেন (Bimal Gurung) গুরুং।

গোজমুমো (GJM) নেতা গুরুং কি ফের বিজেপি শিবিরে? জিটিএ ভোটের সময় থেকেই তিনি তৃণমূল কংগ্রেস পক্ষ ত্যাগ করেছেন।

পৃথক গোর্খাল্যান্ড দাবিতে ফের সরব গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা। যদিও সাম্প্রতিক সবকটি স্থানীয় নির্বাচনে সংগঠনটি একেবারেই জনভিত্তি হারিয়েছে। যে গুরুংয়ের নির্দেশে দুই জেলা দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ের পাহাড়ি এলাকায় কোনও পাতা নড়ত না বলে রাজনৈতিক বিতর্ক ছিল তা এখন আর নেই। তবে বিমল গুরুং পৃথক গোর্খাল্যান্ড দাবিতে অনড়়।

Hindustan Times জানাচ্ছে, ডিসেম্বর মাসে দিল্লিতে গোর্খাল্যান্ডের দাবি তুলে মিছিল করার জন্য পার্বত্যাঞ্চলের রাজনৈতিক দলগুলির কাছে আহ্বান জানিয়েছেন গুরুং। তিনি বলেন,সময় এসে গেছে গোর্খাল্যান্ড তৈরির।

জিটিএ (Gorkhalnd Territorial Administration) ও দার্জিলিং পুরসভার ভোটে ক্ষমতা হারিয়েছেন গুরুং। পাহাড়ি এলাকায় এখন অনীত থাপা ও অজয় এডওয়ার্ডের ক্ষমতা। আর গুরুং চাইছেন সবকটি পাহাড়ি দলকে নিয়ে যৌথভাবে দিল্লিতে গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে মিছিল।

গুরং জানান, ডিসেম্বর মাসের ১০-১১ তারিখে দিল্লিতে সমাবেশের দিন ধার্য করা হয়েছে। ২০১৯ সাল থেকে বিজেপি যে পৃথক গোর্খাল্যান্ডের পক্ষে যুক্তি দিয়েছিল তা বাস্তবায়িত করার সময় এসে গেছে।

বিহার, অসমের কিছু অংশ ও পশ্তিমবঙ্গের ৮টি জেলা (উত্তরবঙ্গ) ভেঙে আলাদা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার যে বিতর্ক চলছে তার মাঝে আলাদা গোর্খাল্যান্ড নিয়ে গোজমুমো নেতা বিমল গুরুং যেমন সরব তেমনই পৃথক কামতাপুর স্বশাসিত এলাকার দাবিতে রক্তগঙ্গা বইয়ে দেব বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে কেএলও জঙ্গি প্রধান জীবন সিংহ।

(সব খবর, সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে পান। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram এবং Facebook পেজ)