
প্রশাসনিক জটিলতা কমিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে দ্রুত পরিষেবা পৌঁছে দেওয়াই এখন কেন্দ্র সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। সেই উদ্দেশ্যেই প্রশাসনিক (PM Modi Meeting) নিয়মে সরলীকরণ এবং সংস্কারের উপর বিশেষ জোর দিতে চান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে সেই বার্তাই স্পষ্টভাবে তুলে ধরলেন তিনি। দিল্লির ভারত মণ্ডপমে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সদস্যরা এবং সরকারের শীর্ষ আধিকারিকরা। প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টার দীর্ঘ বৈঠকে প্রশাসনিক সংস্কার, সরকারি কাজের গতি বৃদ্ধি এবং ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’-এর লক্ষ্য নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়।
সূত্রের খবর, বৈঠকের শুরু থেকেই প্রধানমন্ত্রী জোর দেন প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধির উপর। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, সরকারি কাজের ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় জটিলতা কমাতে হবে। কোনও ফাইল যাতে দীর্ঘদিন আটকে না থাকে, সেই বিষয়েও তিনি মন্ত্রী ও আধিকারিকদের সতর্ক করেন। প্রশাসনিক স্তরে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং মানুষের সমস্যা দ্রুত সমাধানের উপরই এখন সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে চাইছে কেন্দ্র সরকার।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, “আমাদের সরকার ২০১৪ সাল থেকে ক্ষমতায় রয়েছে। এখন ২০২৬ সাল। অতীতের সাফল্য নিয়ে পড়ে থাকলে চলবে না। এখন সময় এসেছে ভবিষ্যতের দিকে তাকানোর।” তিনি আরও বলেন, “এখন রিওয়াইন্ড নয়, সামনে দেখার সময়।” তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, আগামী দিনের উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রশাসনিক রূপরেখাকেই এখন অগ্রাধিকার দিতে চাইছে কেন্দ্র।
এই বৈঠকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’। প্রধানমন্ত্রী জানান, এটি শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক স্লোগান নয়, বরং দেশের প্রতি সরকারের একটি জাতীয় প্রতিশ্রুতি। স্বাধীনতার ১০০ বছর পূর্তির সময় ভারতকে একটি উন্নত ও শক্তিশালী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়েই এই পরিকল্পনা। সেই কারণে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের এখন থেকেই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।








