এখনও নজর রাখছেন ‘বাবা’ Harbhajan Singh, মৃত্যুর ৫৪ বছর পরেও

নজর রাখছেন বাবা হরভজন সিং (Harbhajan Singh)। আজও। মৃত্যুর প্রায় ৫৪ বছর পরেও।  কৌশলগত অবস্থার দিক থেকে সিকিমের গুরুত্ব অপরসীম। ভারত- চিন সেনার অন্যতম সংযোগস্থল নথুলা, যা সিকিমের অংশ।

Harbhajan Singh

নজর রাখছেন বাবা হরভজন সিং (Harbhajan Singh)। আজও। মৃত্যুর প্রায় ৫৪ বছর পরেও।  কৌশলগত অবস্থার দিক থেকে সিকিমের গুরুত্ব অপরসীম। ভারত- চিন সেনার অন্যতম সংযোগস্থল নথুলা, যা সিকিমের অংশ। হরভজন সিং – এর পোস্টিং হয়েছিল এই সিকিমেই। ১৯৬৮ সালে।  কর্তব্যরত অবস্থায় মৃত্যু হয়েছিল তাঁর। নদীর জল ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছিল সেনা জওয়ান হরভজন সিং -কে। তিন দিন পর দেহ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছিল সেনা। ৪ অক্টোবর মৃত্যু হয় তাঁর। রীতি মেনে জানানো হয়েছিল অন্তিম বিদায়। পূর্ণ সেনা মর্যাদায় শৎকার। 

কথিত রয়েছে সহযোদ্ধাদের স্বপ্নে আসতেন হরভজন। বেশ কয়েকবার নাকি এরকম হয়েছিল। সমাধি নির্মাণ করতে হবে- স্বপ্নাদেশে নির্দেশ। তাই করা হল। যে জায়গা থেকে হরভজন সিং এর দেহ উদ্ধার করা হয়েছিল, সেখান থেকে কিছুটা দূরে তৈরি করা হয় সমাধি। লোক মুখে প্রচার পেতে থাকে ‘ বাবা হরভজন সিং ‘ এবং তাঁর স্বপ্নাদেশের কথা। ভিড় বাড়তে থাকে সমাধিক্ষেত্রে। ক্রম মন্দিরে পরিণত হল সেনা জোয়ানের স্মৃতি চিহ্ন।

https://video.incrementxserv.com/vast?vzId=IXV533296VEH1EC0&cb=100&pageurl=https://kolkata24x7.in&width=300&height=400

ভারতীয় সেনাবাহিনীর যে ইউনিটগুলি এই অঞ্চলে পোস্ট করা হয়েছে, তারা মন্দিরে বাবার আশীর্বাদ কামনা করে নিয়মিত। সেনার এ-ও বিশ্বাস যে বাবা আসন্ন আক্রমণের আগেই সতর্ক করে দেবেন বাবা হরভজন সিং। সেনাবাহিনী থেকে তাঁকে একজন অনারারি ক্যাপ্টেন হিসেবে সম্মানিত করা হয়েছিল। পরিবারে পাঠানো হতো বেতনের চেক। প্রতি বছর ১৪ সেপ্টেম্বর বার্ষিক ছুটিও দেওয়া হতো। জওয়ানদের বিশ্বাস হরভজন সিং তাঁদের সঙ্গেই রয়েছেন সর্বদা।