Nobel: ১৫৪ বার বেত্রাঘাত ! মেয়েদের জন্য লড়াই করে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন নার্গিস মোহাম্মদী

২০২৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন ইরানের কারাবন্দি মানবাধিকারকর্মী নার্গিস মোহাম্মদী।আজ শুক্রবার ওসলোতে এক অনুষ্ঠানে নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ীর নাম ঘোষণা করে নোবেল কমিটি।পুরস্কার ঘোষণার সময় নোবেল কমিটি ...

By Kolkata24x7 Team

Published:

Follow Us

২০২৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন ইরানের কারাবন্দি মানবাধিকারকর্মী নার্গিস মোহাম্মদী।আজ শুক্রবার ওসলোতে এক অনুষ্ঠানে নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ীর নাম ঘোষণা করে নোবেল কমিটি।পুরস্কার ঘোষণার সময় নোবেল কমিটি জানিয়েছে, সমাজের জন্য কাজ করতে নার্গিস মোহাম্মদীকে বারবার ব্যক্তিগত জীবন দিয়ে মূল্য চোকাতে হয়েছে। ইরান সরকার তাকে ১৩ বার গ্রেপ্তার ও পাঁচবার দোষী সাব্যস্ত করেছে এবং সব মিলিয়ে ৩১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে। এ ছাড়াও, তাকে ১৫৪ বার বেত্রাঘাতের শাস্তি দেওয়া হয়েছে এবং তিনি এখনো কারাবন্দি আছেন।১৯তম মহিলা হিসাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন নার্গিস।

২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে কুর্দি তরুণী মাহসা আমিনি ইরানের পুলিশের হেফাজতে মারা যান। তার মৃত্যুতে ১৯৭৯ সাল থেকে ক্ষমতায় থাকা বর্তমান ইরানি সরকারে বিরুদ্ধে দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে বৃহৎ গণআন্দোলনের সূত্রপাত হয়। এই আন্দোলনের শ্লোগান ছিল ‘নারী-জীবন-স্বাধীনতা।’ নারীদের বিরুদ্ধে হিংসা ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে ইরানের হাজারো নাগরিক শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে পথে নেমে আসেন। শাসকগোষ্ঠী দমন-পীড়নের মাধ্যমে এই বিক্ষোভকে ভেস্তে দেওয়ার চেষ্টা চালায়। এতে ৫০০ জনেরও বেশি বিক্ষোভকারী নিহত হন এবং আহত হন আরও হাজারো মানুষ। আহতদের অনেকেই পুলিশের ছোঁড়া রাবার বুলেটের আঘাতে অন্ধ হয়ে যান। অন্তত ২০ হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়।বিক্ষোভকারীদের মূলমন্ত্র—’নারী-জীবন-স্বাধীনতা’—যথার্থভাবে নার্গিস মোহাম্মদীর সারা জীবনের কাজ ও অঙ্গীকারকেই প্রতিনিধিত্ব করে।

   

২০২২ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান বেলারুশের মানবাধিকারকর্মী অ্যালেস বিয়েলাৎস্কি এবং রাশিয়ান মানবাধিকার সংস্থা মেমোরিয়াল ও ইউক্রেনীয় মানবাধিকার সংস্থা সেন্টার ফর সিভিল লিবার্টিজ।

ভিডিও নিউজ দেখুন

Kolkata24x7 Team

আমাদের প্রতিবেদন গুলি kolkata24x7 Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।

Follow on Google