ভোটদানের দিনেই মালদহের মোথাবাড়ি (Malda) এলাকা উঠে এল খবরের শিরোনামে। সকাল থেকেই ভোটগ্রহণ ঘিরে উৎসাহ থাকলেও, প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে প্রায় দেড় ঘণ্টা বিলম্বে শুরু হয় ভোট প্রক্রিয়া। মেশিনে ত্রুটি ধরা পড়ায় নির্ধারিত সময়ে ভোট শুরু করা সম্ভব হয়নি বলে অভিযোগ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভোটারদের মধ্যে চরম অসন্তোষ ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বৃহস্পতিবার ভোর থেকেই ভোটাররা লাইনে দাঁড়াতে শুরু করেন। বহু মানুষ সকাল সকাল এসে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু বুথে পৌঁছে তাঁরা জানতে পারেন, ইভিএম মেশিনে সমস্যা রয়েছে। প্রথমে আশা করা হয়েছিল দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে, কিন্তু সময় গড়াতে থাকলেও পরিস্থিতির তেমন উন্নতি হয়নি। ফলে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয় ভোটারদের।
প্রায় দেড় ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও ভোটগ্রহণ (Malda) শুরু না হওয়ায় ক্ষোভ বাড়তে থাকে। লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা ভোটাররা ধৈর্য হারিয়ে ফেলেন। অনেকেই অভিযোগ করেন, এই ধরনের অব্যবস্থাপনার জন্য তাঁদের অযথা ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে বয়স্ক ভোটার এবং মহিলাদের জন্য এই দীর্ঘ অপেক্ষা আরও কষ্টকর হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠলে একসময় উত্তেজিত ভোটাররা সেক্টর অফিসারকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। তাঁরা দ্রুত ভোটগ্রহণ শুরু করার দাবি জানান এবং দেরির কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ব্যাখ্যা চান। কিছু সময়ের জন্য বুথ চত্বরে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়। ভোটকর্মী ও নিরাপত্তারক্ষীরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। সেক্টর অফিসার ভোটারদের আশ্বস্ত করেন যে, প্রযুক্তিগত সমস্যার সমাধান করার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। পরে বিকল্প ইভিএম মেশিনের ব্যবস্থা করা হয় বলে জানা যায়। অবশেষে প্রায় দেড় ঘণ্টা বিলম্বের পর ভোটগ্রহণ শুরু করা সম্ভব হয়।
ভোট শুরু হওয়ার পর পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে থাকে। তবে দীর্ঘ বিলম্বের কারণে অনেক ভোটারই বিরক্তি প্রকাশ করেন। তাঁদের মতে, নির্বাচন কমিশনের উচিত ছিল আগেই সব ধরনের প্রযুক্তিগত ত্রুটি পরীক্ষা করে নেওয়া, যাতে ভোটের দিন এই ধরনের সমস্যা না হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও কোনও পক্ষের তরফে সরাসরি অভিযোগ বা প্রতিক্রিয়া এখনও সামনে আসেনি, তবুও বিষয়টি নিয়ে চাপানউতোরের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।




















