কলকাতা: এই মুহূর্তে বাংলায় ‘দাঙ্গা’ বাঁধানোয় অভিযুক্ত মোফাক্কেরুল পুলিশে হেফাজতে। (Mofakkarul Islam) তার চালচলন থেকে শুরু করে সব কিছুই এখন খতিয়ে দেখছে পুলিশ-গোয়েন্দারা৷ মোফাক্কেরুল নিজেকে পরিচয় দিত হাইকোর্টের আইনজীবী বলে কিন্তু সূত্রের খবরে জানা গিয়েছে, কখনোই কোনও কেসে তাকে মুভ করতে দেখা যায়নি। তবুও তার সমাজ মাধ্যমের প্রোফাইল ঘাটলে দেখা যায় একাধিক পাক সীমান্তবর্তী রাজ্যে যাতায়াত ছিল তার।
কখনও পঞ্জাব আবার কখনও রাজস্থান। তবে তা নাকি শুধুই আইন সংক্রান্ত বা মামলা সংক্রান্ত কাজের জন্য। তবে গোয়েন্দা আধিকারিকরা সন্দেহ করছেন, যে আইনজীবী হাইকোর্টে কখনও কেস লড়েনি সে এই সব রাজ্যে গিয়ে কি করত। পঞ্জাব হোক বা রাজস্থান সেখান থেকে পাক সীমান্তে জঙ্গি যোগ থাকাটা আশ্চর্যের বিষয় নয় এমনটাই মনে করছেন তারা। তদন্তের শুরুতেই তার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ঘেঁটে কিছু সন্দেহ জনক লেনদেন লক্ষ্য করা গিয়েছে।
আরও দেখুনঃ ইরানের সাহায্যে লাদাখের নিলামে ২৫০০০ এ বিকোল এক পিস ডিম
সেগুলি কোথায় কার অ্যাকাউন্ট থেকে করা হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। শুধু পঞ্জাব বা রাজস্থান নয়। সোশ্যাল মিডিয়া ঘাঁটলে দেখা যাবে তেলেঙ্গানা এবং কেরলেও তার যাতায়াত ছিল। অবশ্য মোফাক্কেরুলের তেলেঙ্গানা যোগ খুবই স্বাভাবিক কারণ জানা গিয়েছে আসাদুদ্দিন ওয়াইসির রাজনৈতিক দল মিমের সমর্থক ছিল মোফাক্কেরুল। তাই মিমের জন্মস্থান হায়দরাবাদ বা তেলেঙ্গানায় যে সে যাতায়াত করবে এটাই স্বাভাবিক।
তবে জঙ্গি যোগের জন্য কেরলও যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। সেখানে একাধিক মৌলবাদী সংগঠন রাজনৈতিক মুখোশ পরে ভারতবিরোধী কর্মকান্ডে যুক্ত এবং তার প্রমান এর আগেও পাওয়া গিয়েছে। মোফাক্কেরুলের এই ধরণের কর্মকান্ড অত্যন্ত সন্দেহজনক বলেই মনে করছেন NIA আধিকারিকরা এবং তার ব্যাক্তিগত নথি থেকে সমস্ত কিছু এই মুহূর্তে NIA র দখলে।
শুধুই কি ‘দাঙ্গা’ বাঁধানো নাকি আরও বড় কোনও উদ্দেশ্যে ছক কষছিল মোফাক্কেরুল সে সব বিষয়ও নজর রাখছে গোয়েন্দা সংস্থা। তবে এই সন্দেহ যদি সত্যি হয় তবে রাজ্যের নিরাপত্তা নিয়ে ফের একবার প্রশ্ন উঠবে এবং রাজ্যের মানুষই যে টাকার বিনিময়ে বিশ্বাসঘাতকতা করে তাও আরও একবার প্রমান হবে।




















