মিজোরামে টুলুঙ্গা-জেজের মূর্তি, খুদে ফুটবলারদের অনুপ্রেরণায় বড় উদ্যোগ

ইম্ফল: এক সময় কলকাতার দুই ঐতিহ্যবাহী ক্লাব ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান-এই দুইয়ের হয়েই খেলেছেন তাঁরা। নাম উজ্বল করেছেন মিজোরাম ফুটবলের (Mizoram Football)। বর্তমানে সেখানকার খুদে ফুটবলারদের উদ্বুদ্ধ করতে স্থাপন করা ...

By Sandipa Nandy

Published:

Follow Us
mizoram-statue-tulunga-jeje-lalpekhlua-football-inspiration-young-players

ইম্ফল: এক সময় কলকাতার দুই ঐতিহ্যবাহী ক্লাব ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান-এই দুইয়ের হয়েই খেলেছেন তাঁরা। নাম উজ্বল করেছেন মিজোরাম ফুটবলের (Mizoram Football)। বর্তমানে সেখানকার খুদে ফুটবলারদের উদ্বুদ্ধ করতে স্থাপন করা হচ্ছে তাঁদেরই মূর্তি। তাঁরা আর কেউ নন, সাইলো মালসোয়ামটুলুঙ্গা (টুলুঙ্গা) এবং জেজে লালপেখলুয়া।

রাজ্যের ভবিষ্যত প্রজন্মকে ফুটবলে উদ্দীপ্ত করতে অন্যন্য ভাবনা নিয়েছে মিজোরাম। টাটকা ঘেরা গ্যালারিতে স্থাপিত হল টুলুঙ্গার মূর্তি। তৈরি হচ্ছে জেজে লালপেখলুয়ার মূর্তিও। এই উদ্যোগ মিজোরামের খুদে ফুটবলারদের খেলার অনুপ্রেরণা যোগাবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

   

দুর্দান্ত পাস আর গোলের জন্য সাইলো মালসোয়ামটুলুঙ্গা -কে বলা হয় ‘মিজো স্নাইপার’। প্রতিপক্ষদের খান খান করে দিতেন টুলুঙ্গা। টুলুঙ্গার ক্লাব কেরিয়ারও প্রশংসনীয়। ইস্টবেঙ্গল, সালগাওকর, মোহনবাগানের পর ইউনাইটেডেও কাটিয়েছেন দীর্ঘদিন। এরপর ফের ইস্টবেঙ্গল, ওড়িশা, সাউদার্ন সমিতি এবং শেষবার আইজল এফসির হয়ে খেলেন তিনি। লাল-হলুদ জার্সিতে জাতীয় লিগ, এশিয়ান কাপ জিতেছেন মিজোর ‘মামা’।

এখন অবশ্য তিনি রিটায়ার্ড। তবে পুরোপুরি অবসর নেননি ফুটব থেকে। মিজোরামের কিশোর ফুটবলারদের কোচ তিনি। প্রতিদিন প্রায় ৪০০ বাচ্চা প্রশিক্ষণ নিতে যায় জাতীয় দলের এই প্রাক্তন উইঙ্গারের কাছে।
অন্যদিকে জেজে লালপেখলুয়া ভারতের জাতীয় দলের হয়ে স্ট্রাইকার হিসেবে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছেন। তিনি গায়ে দিয়েছিলেন মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গলের জার্সি। তিনিও মিজোরামের ফুটবলে অন্যতম আইকন হিসেবে পরিচিত।

Sandipa Nandy

Sandipa Nandy is a journalism graduate with an M.A. in Journalism and Mass Communication. She has a keen interest in sports journalism and covers the latest updates, match analyses, and trending stories from the world of sports with clarity and accuracy.

Follow on Google