ইরান-ইসরায়েল আমেরিকার যুদ্ধের জেরে (Middle East War) ফের বিশ্ব জুড়ে তৈরি হতে চলেছে কঠিন তম পরিস্থিতি। ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত একজন প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। দু’সপ্তাহেরও বেশি সময় অতিক্রান্ত। অশান্ত পরিস্থিতি আর শুধু পশ্চিম এশিয়ায় নয়, সারা বিশ্বেই। ক্রমশ খারাপ দিকে যাচ্ছে ইরান ইসরায়েল-আমেরিকা (Iran Israel US War)-র যুদ্ধ।
সূত্রের খবর আবুধাবিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মৃত অন্তত ১। পাশাপাশি দোহা ও দুবাইয়ে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। আমেরিকা-ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধের সর্বশেষ আপডেটে সামনে আসছে নানা তথ্য।
যুদ্ধের কারণে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে চারিদিক। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির রাজধানী আবুধাবিতে একটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত একজন প্রাণ হারিয়েছেন বলে খবর পাওয়া গিয়েছে। পাশাপাশি প্রতিবেশী কাতার ও দুবাইয়ের বিভিন্ন অংশ থেকেও বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাওয়ার খবর মিলেছে। যার কারণে চরম আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যাচ্ছে আবুধাবিতে একটি ক্ষেপণাস্ত্র এসে পড়ায় একজন সাধারণ মানুষের মৃত্যু হয়। প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, এই হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল অন্য কোনও জায়গা। তবে তা জনবহুল এলাকার কাছাকাছি আঘাত হানে।
পাশাপাশি আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে কাতারের রাজধানী দোহাতেও। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির বাণিজ্যিক কেন্দ্র দুবাইয়ে মাঝরাতে প্রচণ্ড বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গিয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, শব্দ এতটাই জোরালো ছিল যে, বাড়ির জানলার কাচ কেঁপে ওঠে। তবে এই দুই শহরে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর নিশ্চিত করা হয়নি।
অন্যদিকে ইরান ও ইসরায়েলের সংঘাতের আঁচ করছে অনেকে। আমেরিকা ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই হামলা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
ইরানকে যারা সমর্থন করে সেই গোষ্ঠীগুলি এই হামলার পিছনে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। হোয়াইট হাউস অবশ্য আবুধাবির এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। জানিয়েছে যে, তারা পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছে। মার্কিন প্রশাসন তাদের আঞ্চলিক বন্ধুদের নিরাপত্তার বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আমিরশাহির আকাশসীমা রক্ষায় মোতায়েন করা ইন্টারসেপ্টর মিসাইলগুলি বেশ কিছু আক্রমণ মাঝ-আকাশেই রুখে দিয়েছে। গোটা মধ্যপ্রাচ্য এখন কার্যত যুদ্ধের কিনারে দাঁড়িয়ে। এই হামলার পরে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিমান চলাচলের ক্ষেত্রেও সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আবুধাবি এবং দুবাইয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।




















