Ghee: ত্বকে জেল্লা ফেরাতে ঘি তেই আস্থা আয়ুর্বেদে

19

গরম ভাতে আলুসেদ্ধ আর একটু ঘি থাকলে বাঙালির আর কিছু লাগে না! ফলে ঘি (Ghee)চিরকালই বাঙালির হেঁশেলের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। আর এবার রূপচর্চার ক্ষেত্রেও খুব জরুরি উপাদান হয়ে উঠেছে ঘি। বহুদিন ধরেই ঘিয়ের নানা উপকারিতার কথা বলা হয়েছে আয়ুর্বেদে। প্রতিদিনের ডায়েটে পরিমিত ঘিয়ের ব্যবহার স্বাস্থ্যকর তো বটেই, বিশেষ করে ত্বক আর চুলের যত্নে তা অপরিহার্য! আপনার ত্বক তেলতেলে, শুষ্ক, স্বাভাবিক যাই হোক না কেন, তার আর্দ্রতা রক্ষায় নিশ্চিন্তে কাজে লাগাতে পারেন ঘি।

শুধু ত্বকের ময়শ্চার লেভেল বজায় রাখাই নয়, প্রাকৃতিক অ্যান্টি-এজিং উপাদান হিসেবেও ঘি খুব গুরুত্বপূর্ন।
চোখের নিচের কোমল, স্পর্শকাতর ত্বকের জন্য অল্প ঘি আন্ডার আই ক্রিমের মতোই রাতে ঘুমোনোর আগে চোখের চারপাশে মেখে নেওয়া যায়। আবার ঠোঁট ফাটার সমস্যা থাকলেও ঘি নিয়ে লিপ বামের মতো করে মেখে নিন ঠোঁটে। শুষ্ক, নিষ্প্রাণ ত্বকেও প্রাণসঞ্চার করতে পারে ঘি। স্নানের আগে মেখে নিন সারা শরীরে, ত্বকে ফিরে আসবে হারিয়ে যাওয়া জেল্লা আর কোমলতা।

ঘি দিয়ে বানান ফেস প্যাক
ত্বকের উজ্জ্বলতা স্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে তুলতে ঘি দিয়ে তৈরি ফেস প্যাক লাগিয়ে দেখুন। এই ফেস প্যাক বানাতে আপনার লাগবে পরিমাণমতো বেসন আর সমপরিমাণ ঘি আর জল। তিনটি উপাদান একসঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন, তারপর মুখে আর গলায় লাগিয়ে মিনিট পনেরো রেখে ঠান্ডা জলে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহার করলে নিষ্প্রাণ, বিবর্ণ ত্বকেও খুব দ্রুত বাড়বে জৌলুস!

(সব খবর, সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে পান। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram এবং Facebook পেজ)