রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন রাজ্যে আধা সেনা মোতায়েন কেন চাইলেন শুভেন্দু?

রাম মন্দির (Ram Mandir) উদ্বোধনের দিন রাজ্যে আধা সেনা মোতাতেন চেয়ে রাজ্যপালের কাছে আবেদন করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন রাজ্যে সংহতি মিছিলের ডাক দিয়েছেন ...

By Rana Das

Published:

Follow Us
Mamata Banerjee scoffs at PM over Ukraine crisis

রাম মন্দির (Ram Mandir) উদ্বোধনের দিন রাজ্যে আধা সেনা মোতাতেন চেয়ে রাজ্যপালের কাছে আবেদন করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন রাজ্যে সংহতি মিছিলের ডাক দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। আর বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু বলেন, ওই দিন সংহতি মিছিলের ডাক দিয়ে আগুন ধরানোর চেষ্টা করছেন ‘উনি’। বিরোধী দলনেতা সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকেই নিশানা করেছেন বলে মনে করা হচ্ছে।

শুভেন্দু বলেন, ‘সংখ্যালঘু মুসলিম ভোটব্যাংক সরে যাচ্ছে বলে রাজ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার চেষ্টা করছেন। আমি রাজ্যপালকে বলব, উনি অবিলম্বের আধা সামরিক মোতায়েনের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে জানান’। 

   

শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা হিসেবে দাবি করছি স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে এবং বিগত রামনবমী থেকে শুরু করে সিএএ (CAA) কে এনআরসি (NRC) তকমা দিয়ে যে সমস্ত এলাকায় রাজ্যের সম্প্রীতি নষ্ট হয়েছিল, রেলস্টেশন পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল সেই সব জায়গায় আধা সামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হোক।

অযোধ্যায় রাম মন্দিরে আগামী ২২ জানুয়ারি প্রাণ প্রতিষ্ঠা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। একই দিনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ‘সংহতি মিছিল’-এর ডাক দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ওই দিন হাজরা থেকে পার্কসার্কাস পর্যন্ত সংহতি মিছিল হবে। তৃণমূলের পক্ষ থেকে সর্বধর্মের প্রতিনিধিদের নিয়ে ওই কর্মসূচি করব।

মমতা তাঁর দল তৃণমূলের উদ্দেশে বলেন শুধু কলকাতা নয়, ওই দিন সব জেলায়, সব ব্লকে সংহতি মিছিল করতে হবে। তৃণমূলের তরফে বলা হয়েছে যে গেরুয়া শিবির বিভাজনের উদ্দেশে রাস্তায় নামতে চেষ্টা করবে। পাল্টা তৃণমূল সংহতির বার্তা নিয়ে মিছিল করবে।

Rana Das

Rana Das pioneered Bengali digital journalism by launching eKolkata24.com in 2013, which later transformed into Kolkata24x7. He leads the editorial team with vast experience from Bartaman Patrika, Ekdin, ABP Ananda, Uttarbanga Sambad, and Kolkata TV, ensuring every report upholds accuracy, fairness, and neutrality.