
মানিকতলায় ৬২ হাজারের বেশি ব্যবধানে জয় তৃণমূলের। এর নেপথ্যে বড় ভূমিকা রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যেরগড়ে দেওয়া জোড়-ফুলের চার সদস্যের কোর কমিটির। এই কমিটির নেতৃত্বে ছিলেন কুণাল ঘোষ। মূলত তাঁর কৌশলেই মানিকতলায় বাজিমাত করেছে রাজ্যের শাসক শিবির। এই ফলাফলে যাপরনাই খশি তৃণমূল নেত্রী। এরপরই কুণাল ঘোষের নেতৃত্বাধীন ওই কমিটি সদস্যদের গুরুত্ব বাড়ানো হল দলীয় সংগঠনে।
উপনির্বাচনে জয়ের পরেও মানিকতলা উপনির্বাচনের জন্য গড়া তৃণমূলের সেই কমিটি পুনঃবহাল রইল।
মানিকতলার ভোটে গো-হারা হেরেও পুরস্কৃত কল্যাণ! বড় ঘোষণা কুণালের
জানা গিয়েছে, মানিকতলার নবনির্বাচিত বিধায়ক সুপ্তি পাণ্ডেকে কাজে সাহায্য করবে ওই কমিটি। কুণাল ঘোষই থাকছেন কোর কমিটির নেতৃত্বে। তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার জানিয়েছেন, পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত মানিকতলার কোর কমিটি কাজ করে যাবে। নতুন বিধায়ক সুপ্তি পাণ্ডেকে কাজে সাহায্য করবে।
তৃণমূলের অন্দরের খবর অবশ্য, গোষ্ঠী কোন্দলে দীর্ণ তৃণমূলের উত্তর কলকাতার সংগঠন। লোকসভা ভোটের আগেই সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছিলেন কুণাল ঘোষ। ওই জেলা সংগঠনের সভাপতি পদে সুদীপের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন কুণাল। এমনকি সুদীপকে প্রার্থী না করারও দাবি তুলেছিলেন। ভোটের মুখে কার্যত দল বিরোধী বক্তব্য পেশ করে সংগঠনের পদও হারিয়েছিলেন। সেই কুণালই ফের গুরুত্ব পেলেন শাসক দলে। তাহলে কী সুদীপের ডানা ছাঁটতেই মমতার এই পদক্ষেপ? প্রশ্ন উঠলো জোড়-ফুলের অন্দরে।
মুকুটে নতুন পালক, রানাঘাটে রেকর্ড গড়ে তৃণমূলের ‘নয়নের মণি’ এই অধিকারী










