Baguiati Double Murder: বিশেষ অ্যাপে কার সঙ্গে কথা সত্যেন্দ্রর? নাগাল পাচ্ছেনা পুলিশ

65

বাগুইআটির জোড়া খুনের (Baguiati Double Murder) ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সত্যেন্দ্র কোথায়? পুলিশের নাগালের বাইরে থাকা সত্যেন্দ্রকে ঘিরে বিতর্ক চরমে। পুলিশের ধারণা, তার কার্যকলাপ একেবারে পেশাদার অপরাধীর মতো। জানা যাচ্ছে, নিজেকে আড়ালে রাখতে বারবার মোবাইল সিম বদলাচ্ছে সে। এলাকাবাসীর একাংশের আরও অভিযোগ সত্যেন্দ্র তৃণমূল ঘনিষ্ঠ।

বছর ২৪ এর সত্যেন্দ্র চৌধুরী নিজের অবস্থান বদলানোর পাশাপাশি বদলাচ্ছে একাধিক সিমকার্ড ব্যবহার করছেন। যার ফলে তদন্তকারী অফিসারদের পক্ষের সত্যেন্দ্রর অবস্থান জানা কঠিন হচ্ছে।

বাগুইআটির জোড়া ছাত্র খুনের পর থেকে সপ্তাহখানেক অধরা সত্যেন্দ্র। সিম কার্ড বদল করে পুরনো সিমকার্ডগুলো নষ্ট করে দিচ্ছে সত্যেন্দ্র। তার টাওয়ার লোকেশন অথবা অবস্থান খুঁজে পাওয়া যাতে সম্ভব না হয়, সেজন্য একাধিক অ্যাপ ব্যবহার করছে সে। বিধাননগর কমিশনারেটের তরফে জানানো হয়েছে, ওই ব্যক্তির শেষ টাওয়ার লোকেশন মিলেছে হুগলি জেলায়। কিন্তু সেখানকার কোন এলাকায় তার খোঁজ মেলেনি।

এর আগে একাধিকবার পুলিশের বিরুদ্ধে তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগ তুলেছেন মৃত অতনুর পরিবার। প্রথম মেসেজ এসেছিল অতনুর বান্ধবীর কাছে। তাঁকেই বলা হয়েছিল এবিষয়ে যেন তিনি অতনুর পরিবারের। এরপর পরিবারের ফোনেই একের পর এক মেসেজ আসতে শুরু করেছিল।

অভিযোগ, অতনুর এক বন্ধুর কাছে প্রথম মুক্তিপণের জন্য হুমকি মেসেজ আসে ২৪ অগাস্ট। সেখানে এরপর সেপ্টেম্বরের ৩ তারিখ অতনুর বাবার কাছে মেসেজ আসে। মেসেজে বলা হয়, ছেলের মৃতদেহ ডানকুনি থেকে নিয়ে নিতে। ২৫ অগাস্ট হাড়োয়ায় অভিষেকের দেহ উদ্ধার হয়েছে। তারপরে সেই দেহ উদ্ধারের কথা জানিয়ে থানায় থানায় বার্তা দেওয়া হয়। কিন্তু তার আগে, ২৩ অগাস্ট ন্যাজাটে অতনুর দেহ উদ্ধার হয়।

মাত্র ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে কেন খুন প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে তদন্তকারী অফিসারদের মধ্যে। ইতিমধ্যেই বাগুইআটি থানার আইসি ও এসআইকে সাসপেণ্ড করা হয়েছে। তদন্তে নেমেছে সিআইডি।

(সব খবর, সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে পান। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram এবং Facebook পেজ)