এবার থেকে ইউটিউবে এই কন্টেন্ট দিলে রোজগার হবে আরও বেশি

গত ১৩ জানুয়ারি, ২০২৬-এ ইউটিউব (YouTube)তার অ্যাডভার্টাইজার-ফ্রেন্ডলি কনটেন্ট গাইডলাইনসে বড়সড় পরিবর্তন এনেছে। এখন থেকে কনটেন্ট ক্রিয়েটররা অ্যাবরশন, সেল্ফ-হার্ম, সুইসাইড, ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স বা সেক্সুয়াল অ্যাবিউজের মতো সংবেদনশীল ও বিতর্কিত ...

By Sudipta Biswas

Published:

Updated:

Follow Us
youtube-new-advertiser-friendly-guidelines-social-impact

গত ১৩ জানুয়ারি, ২০২৬-এ ইউটিউব (YouTube)তার অ্যাডভার্টাইজার-ফ্রেন্ডলি কনটেন্ট গাইডলাইনসে বড়সড় পরিবর্তন এনেছে। এখন থেকে কনটেন্ট ক্রিয়েটররা অ্যাবরশন, সেল্ফ-হার্ম, সুইসাইড, ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স বা সেক্সুয়াল অ্যাবিউজের মতো সংবেদনশীল ও বিতর্কিত বিষয় নিয়ে নন-গ্রাফিক (অর্থাৎ অত্যধিক গ্রাফিক বা রক্তাক্ত নয়) ভিডিও বানালে পুরো অ্যাড রেভিনিউ আয় করতে পারবেন।

এই কনটেন্ট যদি ড্রামাটাইজড (নাটকীয়ভাবে উপস্থাপিত), আলোচনামূলক বা শিক্ষামূলক হয়, তাহলে আগের মতো লিমিটেড বা জিরো মনিটাইজেশনের সমস্যা আর থাকবে না। এই পরিবর্তন ক্রিয়েটরদের দীর্ঘদিনের অভিযোগের জবাবে এসেছে, যেখানে তারা বলতেন যে এমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কথা বললেও আয়ের পথ বন্ধ হয়ে যায়।

   

শহরে ফের অগ্নিকাণ্ড, দাউদাউ করে উঠছে লেলিহান শিখা

ইউটিউবের এই সিদ্ধান্তের ফলে সবচেয়ে বেশি লাভবান হবেন সেই সব ক্রিয়েটর, যারা মেন্টাল হেলথ, ডোমেস্টিক অ্যাবিউজ সারভাইভারদের গল্প, রিপ্রোডাকটিভ রাইটস, সুইসাইড প্রিভেনশন বা সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট নিয়ে শিক্ষামূলক বা সচেতনতামূলক কনটেন্ট তৈরি করেন।

আগে এসব ভিডিওতে প্রায়ই ‘ইয়েলো আইকন’ দেখা যেত, যার ফলে অ্যাডস কম দেখানো হতো বা একেবারে বন্ধ হয়ে যেত। এখন এই ক্রিয়েটররা আরও স্বচ্ছন্দে, আরও বেশি পরিমাণে এমন কনটেন্ট বানাতে পারবেন, কারণ আয়ের নিশ্চয়তা থাকবে।

এতে করে সমাজে এই বিষয়গুলো নিয়ে আরও খোলামেলা আলোচনা বাড়বে।ভারতের মতো দেশে, যেখানে মেন্টাল হেলথ এখনও অনেকটা ট্যাবু, ডোমেস্টিক ভায়োলেন্সের কথা চাপা পড়ে যায়, অ্যাবরশন নিয়ে আইনি-সামাজিক বিতর্ক চলে এই পরিবর্তন একটা ইতিবাচক ধাক্কা হতে পারে। অনেক যুবক-যুবতী, বিশেষ করে ছোট শহর বা গ্রামের মানুষ ইউটিউব থেকে এসব বিষয়ে তথ্য পান।

এখন যদি আরও বেশি ক্রিয়েটর এগিয়ে আসেন, তাহলে সচেতনতা বাড়বে, সাহায্যের লাইন (হেল্পলাইন) নম্বর বেশি শেয়ার হবে, সারভাইভাররা নিজেদের গল্প বলতে সাহস পাবেন। ফলে সমাজে লুকিয়ে থাকা এই সমস্যাগুলো নিয়ে খোলা কথা বলার পরিবেশ তৈরি হতে পারে, যা অনেকের জীবন বদলে দিতে পারে।তবে এই নয়া নিয়মের দুটো দিক আছে।

একদিকে যেমন এটা আলোচনাকে উৎসাহিত করবে, অন্যদিকে কিছু ক্রিয়েটর হয়তো সেনসেশনালিজমের দিকে ঝুঁকতে পারেন। যদিও ইউটিউব স্পষ্ট বলেছে যে গ্রাফিক ডিপিকশন, হার্মফুল বিহেভিয়র প্রমোট করা, গ্লোরিফাই করা বা চাইল্ড অ্যাবিউজ/ইটিং ডিসঅর্ডারের মতো কিছু বিষয় এখনও পুরোপুরি নিষিদ্ধ থাকবে তবু মনিটরিংয়ের চ্যালেঞ্জ থেকে যাবে। কেউ যদি সুইসাইড বা অ্যাবিউজকে ‘ক্লিকবেইট’ হিসেবে ব্যবহার করে, তাহলে দর্শকদের মধ্যে ট্রিগার হওয়ার আশঙ্কা বাড়তে পারে। বিশেষ করে তরুণ দর্শকদের জন্য এটা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

ভিডিও নিউজ দেখুন

Sudipta Biswas

Sudipta Biswas is a senior correspondent at Kolkata24x7, covering national affairs, politics and breaking news.

Follow on Google