নির্বাচনকে ঘিরে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে রাজ্যে। (SIR) তৃণমূল কংগ্রেস ফের একবার নির্বাচন কমিশনকে লক্ষ্য করে সরব হয়েছে। পার্টির দিক থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, কমিশন কার্যত নিরপেক্ষ থাকার দায়িত্ব পালন করছে না এবং ভোট প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা রক্ষার ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে। (SIR) তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা ডেরেক ও ব্রায়েন এ প্রসঙ্গে বলেন, মডেল কোড অফ কনডাক্ট এটি আলাদা হতে পারে না। কিন্তু নির্বাচন কমিশন সেটাকেও মানছে না।”
এদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ সাগরিকা ঘোষ আরও এক ধাপ এগিয়ে অভিযোগ করেছেন যে, সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ‘SIR’-(SIR) সংক্রান্ত ঘটনা বিহারে হলেও, মূল লক্ষ্য ছিল বাংলা। তিনি বলেন, “এই রাজ্যের ভোটারকে বাদ দিতে নানান রকম পন্থা চলছে। নির্বাচন কমিশন আগে দেখত যাতে সবাই ভোট দিতে পারে। এখন ভোটারদের বাদ দিতে উদ্যোগী কমিশন।”
সাগরিকা ঘোষের এই অভিযোগে বোঝা যায় যে, শুধু বহির্বিশ্বে নয়, দেশের মধ্যেও নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে ঘিরে যথেষ্ট রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, কেন্দ্রীয় সংস্থা তথা নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের (SIR) গভীর সংশয় রয়েছে। তৃণমূলের দাবি, ভোটারের অধিকার রক্ষা করা কমিশনের মূল কর্তব্য। কিন্তু এই মৌলিক দায়িত্ব পালনে তারা ব্যর্থ হচ্ছে। সাংসদ সাগরিকা ঘোষ বলেন, “যদি কমিশন সময়মতো পদক্ষেপ নিত, তাহলে কেউ ভোট থেকে বঞ্চিত হতো না। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে দেখা যাচ্ছে, ভোটারদের প্রভাবিত করা এবং তাদের অংশগ্রহণ সীমিত করা হচ্ছে।”
রাজনীতিবিদদের মতে, ‘SIR’-(SIR) সংক্রান্ত এই ঘটনা কেবল এক বা দুটি রাজ্যের ঘটনা নয়; বরং এটি একটি বৃহত্তর নির্বাচনী কৌশলের অংশ। বিশেষ করে বাংলা নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের হাত থেকে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা দেখা যাচ্ছে। এই পরিস্থিতি নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে সরাসরি প্রভাবিত করছে।
