Manipur Violence: টুইটারকে ভিডিও সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ জাতীয় মহিলা কমিশনের

মণিপুরের ভয়ঙ্কর ভিডিও সামনে আসার পর থেকে দেশজুড়ে নিন্দার ঝড়। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। ভিডিওতে দেখা যায় দু’জন মহিলাকে নগ্ন করে ঘোরানো হচ্ছে। ভিডিও দেখে শিহরিত গোটা দেশ। মণিপুরের ঘটনায় ইতিমধ্যেই স্বতঃপ্রণদিত মামলা রুজু হয়েছে। ঘটনার দু-মাস পর গ্রেফতার হয়েছে মূল অভিযুক্ত। মণিপুর-কাণ্ডে কড়া প্রতিক্রিয়া দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ঘটনার নিন্দা এবং শোকপ্রকাশ করে নরেন্দ্র মোদী বলেন, ‘মণিপুরে যা হচ্ছে তার জন্য আমি ব্যথিত। আমার হৃদয় ভারাক্রান্ত।’

এবার মণিপুরের ভিডিও টুইটারকে মুছে ফেলার নির্দেশ দিয়ে নোটিস দিল জাতীয় মহিলা কমিশন। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকেও একই নির্দেশিকে গিয়েছে। কেন্দ্রের তরফে টুইটারকে ভিডিওটি সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যাতে কোনও সমাজমাধ্যমে এই ভিডিও শেয়ার না হয় তা নিয়েও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষ গর্জে উঠছে। তীব্র প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে। এমনকি মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী এন বিরেন সিং জানিয়েছেন দোষীদের ‘মৃত্যুদণ্ডের’ আর্জি জানাবে সরকার।

   

জাতিগত সংঘর্ষে (Manipur Violence) ফের অশান্ত মণিপুর। উত্তর পূর্বাঞ্চলের এই রাজ্যটি গত কয়েকমাস ধরে রক্তাক্ত। এবার বিজেপি শাসিত এই রাজ্য থেকে এলো ভয়াবহ আরও এক ছবি। উপজাতি মহিলাদের প্রকাশ্যে নগ্ন করে ঘোরানো হচ্ছে।

এমন একটি ভিডিও প্রকাশের পর মণিপুরের পাহাড়ি এলাকায় উত্তেজনা বেড়েছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে যে দুই মহিলাকে নগ্ন করে ঘোরানো হচ্ছে। আদিবাসী উপজাতীয় নেতাদের ফোরাম (আইটিএলএফ) তাদের দুর্দশার কথা তুলে ধরতে ঘোষিত একটি পরিকল্পিত প্রতিবাদ মিছিল করে। তখনই ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়েছিল।
ITLF-এর একজন মুখপাত্রের মতে, “ঘৃণ্য দৃশ্। ৪ মে কাংপোকপি জেলায় ক্রমাগত অসহায় মহিলাদের শ্লীলতাহানি করছে। এই নিরপরাধ মহিলারা যে ভয়ঙ্কর অগ্নিপরীক্ষার শিকার হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিওটি শেয়ার করায় আরও ঘৃণ্য মানসিকতার পরিচয় দেয়। পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।

মণিপুরের এই দুই মহিলাকে রাস্তায় নগ্ন করে হাঁটানো হয়। ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে শেয়ার করা হয়েছে। এর জেরে নতুন করে পরিস্থিতি গরম। ব্যাপক নিন্দা ও ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে বিভিন্ন সংগঠনের তরফে। দুই মহিলাকে একটি মাঠে গণধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে একটি আদিবাসী সংগঠন।

আদিবাসী উপজাতীয় নেতাদের ফোরাম (ITLF) এর একটি বিবৃতি অনুসারে, ঘটনাটি গত ৪ মে রাজ্যের রাজধানী ইম্ফল থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দূরে কাংপোকপি জেলায় ঘটেছিল৷ সমতলে সংখ্যাগরিষ্ঠ মেইতেই এবং পাহাড়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ কুকি উপজাতির মধ্যে তফসিলি উপজাতি (এসটি) মর্যাদা দেওয়ার দাবি নিয়ে সংঘর্ষের সময় এমন ঘটে।

এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ খবর পেতে Google News-এ Kolkata24x7 ফলো করুন