
নয়াদিল্লি: ৭৯তম জন্মদিনে পা দিলেন কংগ্রেসের শীর্ষ নেত্রী সোনিয়া গান্ধী। এই বিশেষ দিনে তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়ে সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি লেখেন, “জন্মদিনের শুভেচ্ছা সোনিয়া গান্ধীজিকে। ঈশ্বর করুন তিনি দীর্ঘ ও সুস্থ জীবন লাভ করুন।” রাজনৈতিক ব্যবধান সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রীর এই শুভেচ্ছাবার্তা স্বাভাবিক ভাবেই তাৎপর্য তৈরি করেছে দিল্লির রাজনৈতিক মহলে।
প্রায় দুই দশক কংগ্রেস সভাপতি পদে ছিলেন সোনিয়া
দলের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ সময়—প্রায় দুই দশক—কংগ্রেস সভাপতির দায়িত্ব সামলেছেন সোনিয়া গান্ধী। ১৩৮ বছরের প্রাচীন কংগ্রেসে তিনিই দীর্ঘতম মেয়াদে সভাপতির দায়িত্ব পালনকারী নেতা। তাঁর নেতৃত্বে কংগ্রেস শুধু সাংগঠনিক কাঠামো পুনর্গঠনই করেনি, বরং বিভিন্ন নির্বাচনী চক্রে নিজেদের অবস্থান পুনরায় সংজ্ঞায়িত করতেও বাধ্য হয়েছে। ২০০৪ ও ২০০৯ সালের পরপর লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের সাফল্য, একইসঙ্গে পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক মাটির পরিবর্তন—সবকিছুর মধ্যেই সোনিয়া গান্ধীর নেতৃত্ব ছিল দলের প্রধান চালিকাশক্তি।
একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মোড় Modi wishes Sonia Gandhi on her 79th birthday
দলের জোট-রাজনীতি থেকে শুরু করে অভ্যন্তরীণ সংস্কার—সোনিয়া যুগে কংগ্রেস একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মোড় নিয়েছে। দলের প্রবীণ নেতাদের পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মকেও সামনে আনার চেষ্টা হয়েছে তাঁর আমলে। বিরোধী রাজনীতির নানামুখী চাপে থেকেও এই দুই দশকে সোনিয়া গান্ধীর উপস্থিতি কংগ্রেসকে বহু সংকট থেকে পথ দেখিয়েছে বলে দাবি দলীয় মহলের।
এই প্রেক্ষাপটে তাঁর ৭৯তম জন্মদিনে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা শুধু ব্যক্তিগত সৌজন্যই নয়, বরং বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশে এক ধরনের প্রতীকী গুরুত্বও বহন করছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক বিশ্লেষক মহলের একাংশ। জন্মদিনের আবহে তাই ফের আলোচনায় সোনিয়া গান্ধীর দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রাপথ এবং কংগ্রেসের রূপান্তরের ইতিহাস।










