
খরগোন, মধ্যপ্রদেশে নতুন করে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা (Khargone)। একটি বাসে অসাবধানবশত হিন্দু যুবকের পা এক মুসলিম মহিলার পায়ে লেগে যাওয়ায় মুসলিম জনতার একাংশ তাঁকে নির্মমভাবে মারধর করে। এই ঘটনার পর হিন্দু সংগঠনের কর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দারা বাসটিকে একটি স্টপে আটকে দিয়ে প্রতিবাদ শুরু করেন। আক্রমণকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ তীব্র হয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রশাসন বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করেছে।ঘটনাটি ঘটেছে খরগোন জেলার একটি ব্যস্ত রুটে চলা সরকারি বাসে। সূত্রের খবর, বাসে ভিড় ছিল প্রচুর। এক হিন্দু যুবক (নাম প্রকাশ না করার অনুরোধে) অসাবধানে পা রেখে দেন এক মুসলিম মহিলার পায়ে। এই ছোট্ট ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাসের কয়েকজন যাত্রী ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন।
সিপিএমের পার্টি অফিস দখলের চেষ্টা প্রোমোটার-ভাড়াটের! সাহায্যের আশ্বাস তৃণমূলের
তারা যুবককে টেনে নামিয়ে লাঠি-সোঁটা দিয়ে মারধর শুরু করেন। যুবক গুরুতর আহত হন মাথায়, পিঠে ও হাতে গুরুতর চোট। স্থানীয়রা বলছেন, আক্রমণ এতটাই নির্মম ছিল যে যুবক অজ্ঞান হয়ে পড়েন। বাসের অন্য যাত্রীরা চিৎকার করে উঠলেও আক্রমণকারীরা থামেননি। পরে বাসটি স্টপে পৌঁছালে আহত যুবককে হাসপাতালে নেওয়া হয়।এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই হিন্দু সংগঠনের কর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দারা বাসটিকে আটকে দেন।
তারা দাবি করেন যে এটা শুধু একটা অ্যাক্সিডেন্ট নয়, বরং ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার প্রকাশ। আক্রমণকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে কঠোর শাস্তি দেওয়ার দাবি তোলা হয়। বিক্ষোভকারীরা রাস্তা অবরোধ করে স্লোগান দিতে থাকেন “হিন্দু যুবকের ওপর হামলা মানে হিন্দু সমাজের ওপর হামলা”, “ন্যায় চাই, দোষীদের শাস্তি চাই”। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠায় খরগোন পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান।প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিপুল সংখ্যক পুলিশ, র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (RAF) ও অন্যান্য বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। স্থানীয় বাজার ও আশপাশের এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ায় দোকানপাট বন্ধ রাখা হয়েছে। পুলিশ বলছে, আহত যুবকের অবস্থা স্থিতিশীল, তবে তাঁকে খরগোন জেলা হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছে। আক্রমণকারীদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। বাসের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে।










