জম্মু ও কাশ্মীরে (Jammu and Kashmir) সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বেশ কিছুদিন ধরেই উপত্যকায় সন্ত্রাসবাদ প্রচারকারী জঙ্গিদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় জম্মু ও কাশ্মীরের কুপওয়ারা জেলায় হিজবুল মুজাহিদিনের আরেক জঙ্গির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ)। যে জঙ্গির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, গত ২০ ফেব্রুয়ারি রাওয়ালপিন্ডিতে তাকে হত্যা করা হয়। এনআইএ আধিকারিকরা এ তথ্য জানিয়েছেন।
আধিকারিক বলেছেন, “জঙ্গি বশির আহমেদ পিয়ার, যিনি হিজবুল মুজাহিদিনের কমান্ডার ছিল, সে উত্তর কাশ্মীরের ক্রালপোরা জেলার বাবরপোরা এলাকার বাসিন্দা ছিল৷ ২০ ফেব্রুয়ারি রাওয়ালপিন্ডিতে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। আধিকারিক বলেছেন, পাকিস্তান থেকে পরিচালিত জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অভিযানের অংশ হিসাবে তার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: Pakistan: ‘টাকা নেই, কাশ্মীরের সম্পত্তি বিক্রি করে সন্ত্রাস ছড়িয়ে দিন’- পাকিস্তানের নতুন কৌশল
এর আগে ৩ মার্চ জম্মু ও কাশ্মীরের বারামুল্লা জেলায় ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’-এর জঙ্গি বাসিত আহমেদ রেশির সম্পত্তি জব্দ করেছিল NIA। রেশি বর্তমানে পাকিস্তানে রয়েছে এবং সেখান থেকে কাশ্মীর উপত্যকায় ভারত বিরোধী কার্যকলাপ চালাচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকারও একে জঙ্গি ঘোষণা করেছে। অন্যদিকে, ২ মার্চ, আল-উমর মুজাহিদিনের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান কমান্ডার মুশতাক জারগার ওরফে লাট্রামের শ্রীনগর-ভিত্তিক সম্পত্তি ক্রোক করা করা হয়।
তথ্য দেওয়ার সময় আধিকারিক বলেছেন, এনআইএ দল জঙ্গি পিয়ার ওরফে ইমতিয়াজ আলমের ১০০০ গজের বেশি জমি বাজেয়াপ্ত করেছে। ইউএপিএ আইনে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। উল্লেখ, বশির কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদের জন্য যুবকদের সংগঠিত করতে এবং তাদের অস্ত্র ও গোলাবারুদ সরবরাহ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল৷
বশির মীর পিওকে থেকে জঙ্গি ক্যাম্প এবং লঞ্চ প্যাড সমন্বয় করছিল। এছাড়াও সে দীর্ঘদিন ধরে লেপা সেক্টরে সক্রিয় ছিল। গত বছরের ৪ অক্টোবর কেন্দ্রীয় সরকার কাশ্মীর উপত্যকায় ভারত বিরোধী কার্যকলাপ চালানোর জন্য বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইন (ইউএপিএ) এর অধীনে তাকে জঙ্গি ঘোষণা করেছিল। সে গত ১৫ বছর ধরে পাকিস্তানে বসবাস করছিল, যেখানে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল।