
জম্মু ও কাশ্মীরের কাঠুয়া জেলায় সীমান্তবর্তী এলাকায় আবারও উত্তেজনা (Jaish terrorist)। বিলাওয়ার এলাকায় জৈশ-ই-মোহাম্মদ (জেইএম)-এর পাকিস্তানি জঙ্গিদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে তীব্র এনকাউন্টার চলছে। জঙ্গিরা কর্ডন অ্যান্ড সার্চ অপারেশনের (সিএএসও) সময় নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর গুলি চালায়, যার জবাবে ভারতীয় বাহিনী পাল্টা গুলি চালিয়ে জঙ্গিদের ঘিরে ফেলেছে।
আরও বিস্তারিত খবরের অপেক্ষা চলছে।আজ ১৩ জানুয়ারি ২০২৬-এ এই এনকাউন্টার শুরু হয়েছে। সূত্রের খবর, নজোতে ফরেস্ট এলাকায় (বিলাওয়ারের কাছে) জঙ্গিরা গুলি চালায়। নিরাপত্তা বাহিনীর স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ (এসওজি) কাঠুয়া, ভারতীয় সেনা ও অন্যান্য বাহিনী যৌথভাবে অভিযান চালাচ্ছে। জঙ্গিরা পাকিস্তান-ভিত্তিক জৈশ-ই-মোহাম্মদের সদস্য বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
‘মোদীর স্ক্রিপ্টে অভিষেকের নাটক!’ কটাক্ষ সেলিমের
একটি জৈশ কমান্ডার ‘মাভি’ (Mavi) সম্ভবত এই এলাকায় আটকে পড়েছে। সূত্র বলছে, এই জঙ্গি গত মাসে (ডিসেম্বর ২০২৫) উধমপুরের একটি এনকাউন্টারে তার গ্রুপ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। পরে সে কাছাকাছি এলাকা থেকে খাবার নিয়ে বিলাওয়ারের ঘন জঙ্গলে আশ্রয় নেয়।এই এনকাউন্টারের পিছনে রয়েছে গত সপ্তাহের ঘটনা।
৭ জানুয়ারি কামাধ নাল্লা ও কাহোগ ফরেস্টে জৈশের ২-৩ জন জঙ্গির উপস্থিতির খবর পেয়ে সার্চ অপারেশন শুরু হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা একজন জঙ্গিকে দেখে পুলিশকে জানায়। সন্ধ্যায় জঙ্গিরা গুলি চালালে এনকাউন্টার শুরু হয়। একজন জৈশ জঙ্গি গুলিবিদ্ধ হয় বলে খবর। এরপর থেকে অভিযান চলছে, কিন্তু ঘন জঙ্গল, অন্ধকার ও কঠিন ভূখণ্ডের কারণে অগ্রগতি ধীর।
এই ঘটনা জম্মু অঞ্চলে জৈশ-এর সক্রিয়তার নতুন প্রমাণ। কাঠুয়া, উধমপুর, রাজৌরি, পুঞ্চ এই সব এলাকায় পাকিস্তান থেকে অনুপ্রবেশের চেষ্টা বাড়ছে। জৈশ-ই-মোহাম্মদ পাকিস্তানের সেনা ও আইএসআই-এর সমর্থনে কাজ করে, যার লক্ষ্য ভারতীয় সেনা ও সাধারণ মানুষের ওপর হামলা। গত বছরের সেপ্টেম্বরে কাঠুয়ায় জৈশ জঙ্গিদের সঙ্গে এনকাউন্টারে একজন জঙ্গি নিহত হয়।
এছাড়া উধমপুরে ডিসেম্বরে একটি এনকাউন্টারে পুলিশের একজন জওয়ান শহিদ হন এবং জৈশ জঙ্গিরা পালিয়ে যায়।নিরাপত্তা আধিকারিকরা বলছেন, এই জঙ্গিরা স্থানীয় লোকাল থেকে খাবার নেয় এবং ঘন জঙ্গলে লুকিয়ে থাকে।
মাভি-র মতো কমান্ডাররা গ্রুপ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নতুন করে সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করে। জম্মু জোনের আইজি ভীম সেন তুতি বলেন, “এসওজি কাঠুয়া জঙ্গিদের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত। অভিযান চলছে।” রিইনফোর্সমেন্ট পাঠানো হয়েছে, স্নিফার ডগ ও ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে।










