
কলকাতা: বন্ধ হয়ে গিয়েছে বাংলাদেশিদের ভিসা। ঢাকায় ভারতের হাই কমিশনের ভিসা কেন্দ্রের রাস্তা (India suspends visas for Bangladeshi)আপাতত বন্ধ বাংলাদেশিদের জন্য। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই সরব হয়েছেন বিজেপির বর্ষীয়ান নেতা তথাগত রায়। তিনি তার এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করে বলেছেন “বন্ধ হয়ে গেল ঢাকা, রাজশাহী, খুলনার ভারতীয় ভিসা অফিস । ধর্মোন্মাদ কাঠমোল্লা আর তার চ্যালাদের ভারতীয় দূতাবাসে গিয়ে অসভ্যতা করার পরিণাম (যার পিছনে স্পষ্টতই প্রধান উপদেষ্টা ইউনুস মিঞার সমর্থন ছিল)।”
তথাগত আরও বলেছেন “বাংলাদেশের অসুস্থ মানুষ, যাঁরা কলকাতায় চিকিৎসা করাতে আসতেন আর হিন্দু ডাক্তারদের উপর ভরসা করতেন, তাঁদের সমবেদনা জানাই। এইবার আপনাদের প্রাক্তন প্রভুদের দেশ লাহোর-ইসলামাবাদে গিয়ে (অথবা ব্যাংকক বা সিঙ্গাপুরে) তিনগুণ খরচ করে বিজাতীয় ভাষায় নিজের অসুখ বুঝিয়ে চিকিৎসা করান ।” দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ থেকে রোগীরা এসে ভারতে চিকিৎসা করতেন। তথাগত তার এই পোস্টে স্পষ্ট বুঝিয়ে দিয়েছেন যে ভারতের থেকে সুবিধা নিয়ে আবার সেই দেশকেই পিছন থেকে ছুরি মারার দিন শেষ হয়ে গিয়েছে।
বঙ্গোপসাগরে সামুদ্রিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার প্রস্তুতি চলছে; পাল্লা কত হবে জানেন?
এবার থেকে তারা পাকিস্তান কিংবা সৌদি আরবে গিয়ে ডবল খরচে চিকিৎসা করাক। বাংলাদেশের উত্তাল পরিস্থিতি এবং তার সঙ্গে বাড়তে থাকা ভারত বিদ্বেষের এই সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে তথাগতের এই পোস্টের সমর্থন জানিয়েছেন ভারতের রাজনৈতিক মহল।
তারাও তথাগতের সঙ্গে সুর মিলিয়ে বলেছেন যে বাংলাদেশের মৌলবাদীরা যেভাবে ভারতীয় দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন তাতে ভারত সরকারের এই সিদ্ধান্ত যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। সর্বোপরি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ইউনূসের ভারত বিরোধী উস্কানি এবং সে দেশের মৌলবাদী সংগঠনগুলির ভারত বিরোধী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে ভারতের অবস্থান একদমই সঠিক।
তারা আরও বলেছেন যে বাংলাদেশের রোগীরা ভারতে এসে কম খরচে রোগের চিকিৎসা করতেন। কিন্তু তারাই আবার দেশে ফিরে গিয়ে ভারত বিরোধী কার্যকলাপে লিপ্ত হন। ভারত সরকার এই দ্বিচারিতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে সঠিক কূটনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বৃহস্পতিবার ওসমান হাদির মৃত্যকে কেন্দ্র করে যে বিদ্বেষের আগুন বাংলাদেশ জ্বালিয়েছে এবং একজন নিরপরাধ হিন্দু যুবককে পুড়িয়ে মেরে যে নৃশংসতার প্রমান দিয়েছে তাতে তাদের স্থান ভারতে নয়, হবে পাকিস্তান কিংবা সৌদি আরবে এমনটাই মত ভারতীয় রাজনৈতিক মহলের।










