মসজিদের সংখ্যায় পাকিস্তানকেও হার মানাল ভারত

india-surpasses-pakistan-number-of-mosques

নয়াদিল্লি: ভারতে মসজিদের সংখ্যা পাকিস্তানের (Pakistan)চেয়েও বেশি! চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এল ধর্মীয় স্থাপনার পরিসংখ্যানে। সাম্প্রতিক কয়েকটি রিপোর্ট ও সোশ্যাল মিডিয়া আলোচনায় একটি চমকপ্রদ তথ্য সামনে এসেছে: ভারতে মসজিদের সংখ্যা পাকিস্তানের চেয়েও অনেক বেশি। বিভিন্ন সূত্র অনুসারে, ২০২৫ সালে ভারতে সক্রিয় মসজিদের সংখ্যা ৩ লক্ষ থেকে ৪ লক্ষের মধ্যে অনুমান করা হচ্ছে যা দেশের মুসলিম জনসংখ্যার তুলনায় (প্রায় ২০ কোটি) অনেক বেশি ।

এই সংখ্যা ১৯৪৭ সালের পর থেকে ৩০০-৪০০% বৃদ্ধি পেয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। অন্যদিকে পাকিস্তানে, যেখানে মুসলিমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ (প্রায় ২৭ কোটি জনসংখ্যার ৯৭%), সেখানে মসজিদের সংখ্যা ১ লক্ষ থেকে ৬ লক্ষের মধ্যে বিভিন্ন অনুমান রয়েছে। কিছু রিপোর্টে বলা হয়েছে ৬ লক্ষেরও বেশি, কিন্তু অনেক সূত্রে ১-১.১ লক্ষের কাছাকাছি।এই তথ্যের পাশাপাশি আরও একটি দুঃখজনক তথ্য উঠে এসেছে।

   

খামেনেইর জ্বলন্ত ছবি থেকে সিগারেট ধরালেন মহিলারা, কেন এই বিধ্বংসী প্রতিবাদ?

পাকিস্তানে হিন্দু মন্দির ও শিখ গুরুদ্বারার অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়। ২০২৫ এর একটি সাম্প্রতিক রিপোর্ট পাকিস্তানের পার্লামেন্টারি কমিটিতে উপস্থাপিত হয়েছে, যাতে বলা হয়েছে ১৯৪৭ সালের পর থেকে দেশে ১,৮১৭টি হিন্দু মন্দির ও শিখ গুরুদ্বারা ছিল, কিন্তু বর্তমানে মাত্র ৩৭টি সক্রিয় ও ব্যবহারযোগ্য রয়েছে। এই হ্রাসের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে বিভাজনের পর হিন্দু-শিখ সম্প্রদায়ের ব্যাপক স্থানান্তর, অবহেলা, ধ্বংস ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাব।

অনেক মন্দির পরিত্যক্ত বা অন্য কাজে লাগানো হয়েছে।এই তুলনামূলক তথ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকে বলছেন, ভারতের মতো অ-মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে মসজিদের এত বিপুল সংখ্যা ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সহাবস্থানের উজ্জ্বল উদাহরণ। ভারতে মুসলিম জনসংখ্যা প্রায় ১৪-১৫% হলেও মসজিদের সংখ্যা বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দেশগুলির মধ্যে দ্বিতীয় বা তৃতীয় স্থানে।

ইন্দোনেশিয়া (প্রায় ৭-৮ লক্ষ) এখনও শীর্ষে, কিন্তু ভারতের সংখ্যা পাকিস্তানের চেয়ে অনেক বেশি বলে দাবি করা হচ্ছে।অন্যদিকে পাকিস্তানের হিন্দু মন্দিরের সংখ্যা হ্রাস নিয়ে দীর্ঘদিনের অভিযোগ রয়েছে। বিভাজনের সময় (১৯৪৭) পাকিস্তানে হাজার হাজার হিন্দু মন্দির ছিল, কিন্তু বর্তমানে মাত্র কয়েক ডজন সক্রিয়। কিছু সূত্রে ১৯৪৭-এ ১,২৮৮টি মন্দিরের কথা বলা হয়েছে, যার মধ্যে মাত্র ৩১-৩৭টি এখনও চালু। এই অবস্থা পাকিস্তানের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার ও ঐতিহ্য রক্ষার প্রশ্ন তুলেছে।

এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ খবর পেতে Google News-এ Kolkata24x7 ফলো করুন