PFI এর পর RSS কে নিষিদ্ধ করার বার্তা দিল কেরলে ক্ষমতাসীন CPIM

PFi এর মত উগ্র ধর্মীয় মৌলবাদী সংগঠন RSS, দুটি সংগঠন পরস্পরকে শক্তিশালী করছে। বিস্ফোরক দাবি কেরল সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদকের।

204
RSS and CMIP Flag

মুসলিম মৌলবাদী সংগঠন পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার (PFI) বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের অভিযোগ এনে আগেই নিষিদ্ধ করেছিল কেরলে ক্ষমতাসীন CPIM নেতৃত্বে এলডিএফ সরকার। বুধবার ভারত সরকার PFI কে পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছে। বিতর্ক উস্কে এবার সংঘ পরিবারকে (RSS) নিষিদ্ধ করার দাবি জানালেন কেরল সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক এম ভি গোবিন্দন।

পড়ুন ইসলামিক উগ্র সংগঠন বলে চিহ্নিত PFI নিয়ে কেরল সরকারের ভূমিকা: 

বামপন্থী কেরল সরকারের নীতিকে মান্যতা, দেশে নিষিদ্ধ PFI

গোবিন্দন জানান, যে কোনও ধর্মীয় মৌলবাদী গোষ্ঠী বা সংগঠন ক্ষতিকর। হিন্দুত্ববাদী রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘ (সংঘ পরিবার-RSS) কে নিষিদ্ধ করা হোক। তিনি বলেন, যদি কোনও সাম্প্রদায়িক শক্তিকে বেআইনি ঘোষণা করতে হয় তো সবার আগে আরএসএস’কেই করা দরকার।

বিশ্লেষকরা বলছেন, সংঘ পরিবার বিজেপির মেরুদণ্ড এটি রাজনৈতিকভাবে স্বীকৃত। আরএসএসের নীতিতেই বিজেপি তথা এনডিএ সরকার চলছে। প্রধানমন্ত্রী মোদী সংঘ সদস্য ছিলেন। ফলে কেরলের বামপন্থী সরকারের অবস্থানে বিতর্ক আরও বাড়ল।

দেশে একমাত্র কেরলে আছে বাম সরকার। সেই সরকারের মূল দল সিপিআইএম। কেরল সরকার দেশে প্রথম পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়াকে নিষিদ্ধ করে। ২০১৪ সালে কেরল সরকার পপুলার ফ্রন্টের কিছু সন্দেহজনক অবস্থান, ধর্মীয় উস্কানিমূলক প্রচার- হামলার অভিযোগ আনে। পূর্বতন নিষিদ্ধ সন্ত্রাসবাদী সংগঠম সিমির খোলস বলে চিহ্নিত করে। তার পরই কেরল সরকার নিষিদ্ধ করেছিল উগ্র ইসলামিক সংগঠন পপুলার ফ্রন্টকে। কেরলের অবস্থানের পরই কর্নাটক,তামিলনাডুতেও পপুলার ফ্রন্ট কার্যকলাপ নিষিদ্ধ হয়।

RRS CPIM Flag

এবার কেরল সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক এম ভি গোবিন্দন হিন্দুত্ববাদী আরএসএসকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানাতেই দেশ জুড়ে চাঞ্চল্য। গোবিন্দন বলেছেন, দুটি ধর্মীয় মৌলবাদী গোষ্ঠী যখন নিজেদের মধ্যে সংঘাতে যায়, তখন তারা পরস্পরকে শক্তিশালী করে। হিন্দুত্ববাদী ও ইসলামপন্থী গোষ্ঠিগুলি এখন এই কাজ করে চলেছে।

কেরল সিপিআইএমের দৈনিক মুখপত্র ‘দেশাভিমানী’ ও পিটিআই জানাচ্ছে, বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা তিরুঅনন্তপুরমে এসে দাবি করেন, কেরল ক্রমশ সন্ত্রাসবাদের কেন্দ্রস্থল হয়ে যাচ্ছে। নাড্ডার দাবির পরেই বিস্ফোরক বার্তা দিয়েছেন গোবিন্দন।

(সব খবর, সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে পান। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram এবং Facebook পেজ)