Home Bharat অভ্যুদয় সামিটে অমিত শাহের বক্তব্যে ভারতের অর্থনীতি ও প্রযুক্তিতে বড় ধাক্কা

অভ্যুদয় সামিটে অমিত শাহের বক্তব্যে ভারতের অর্থনীতি ও প্রযুক্তিতে বড় ধাক্কা

Amit Shah at Thonthonia Kali Temple, Announces Key Political Strategy for Bengal
Amit Shah at Thonthonia Kali Temple, Announces Key Political Strategy for Bengal

মধ্যপ্রদেশ: ‘অভ্যুদয় মধ্যপ্রদেশ গ্রোথ সামিটে’ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) দেশের অর্থনীতি ও প্রযুক্তিতে ভারতের চমকপ্রদ অগ্রগতি তুলে ধরেছেন। তিনি জানান, “আমাদের বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ রেকর্ড মাত্রায় পৌঁছে গেছে, যা সাতশো বিলিয়ন ডলারেরও বেশি। আমরা সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে একটি বিশাল প্রবেশ ঘটিয়েছি এবং খুব শীঘ্রই আমরা শুধু সেমিকন্ডাক্টরে স্বনির্ভর হব না, বরং সেমিকন্ডাক্টর রপ্তানি শুরু করব।”

Advertisements

অমিত শাহের ভাষায়, ডিজিটাল ইন্ডিয়া প্রকল্পের মাধ্যমে দেশে সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে সবচেয়ে বেশি উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, “যখন মোদি জি প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন, তখন দেশে মাত্র সাত কোটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ছিল। কিন্তু সেপ্টেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত আমরা ১০১ কোটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী তৈরি করতে সক্ষম হয়েছি। এটি দেশের ডিজিটাল সংযোগের বিস্তৃতিকে তুলে ধরে এবং প্রযুক্তিতে আমাদের অগ্রগতির প্রমাণ দেয়।”

   

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে আমাদের প্রবেশ কেবলই দেশকে প্রযুক্তিতে স্বনির্ভর করবে না, এটি ভারতকে আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি বাজারে শক্তিশালী অবস্থানে রাখবে। খুব শীঘ্রই ভারত সেমিকন্ডাক্টর রপ্তানিকারক হিসেবে বিশ্ব মানচিত্রে নিজের পরিচয় তৈরি করবে। এটি দেশের অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করবে এবং প্রযুক্তি খাতে নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করবে।”

বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ার বিষয়টি দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রতিফলন হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন। “এই রেকর্ড রিজার্ভ আমাদের মুদ্রা ও বাণিজ্য পরিস্থিতিকে শক্তিশালী করছে। এটি আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের জন্যও একটি ইতিবাচক বার্তা বহন করছে, যা দেশে নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণে সহায়ক হবে।” ডিজিটাল ইন্ডিয়ার প্রসঙ্গে অমিত শাহ বলেন, “ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে দেশের সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে। অনলাইনে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ব্যাঙ্কিং এবং সরকারি পরিষেবা এখন দ্রুত এবং সহজলভ্য। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বৃদ্ধির ফলে ডিজিটাল বিভাজন কমানো এবং দেশের সর্বত্র তথ্যপ্রবাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, “ডিজিটাল ইন্ডিয়ার মাধ্যমে আমরা এমন একটি কাঠামো তৈরি করেছি, যা উদ্ভাবন ও স্টার্টআপদের জন্য আরও উপযোগী। দেশে প্রযুক্তি ভিত্তিক শিল্প ও উদ্যোগকে বাড়ানো সম্ভব হয়েছে, যার ফলে অর্থনীতির বিভিন্ন খাতে নতুন সম্ভাবনা উন্মোচিত হয়েছে।”

 

 

 

Advertisements