Cyclone Michaung: ১০০ কিমি গতিবেগ মিগজাউমের, ঝুঁকি নিয়ে খুলল চেন্নাই বিমানবন্দর

ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম (Cyclone Michaung) মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় অন্ধ্রপ্রদেশের বাপটলার নিকটবর্তী নেলোর এবং মছলিপত্তনমের মধ্যে স্থলভাগে আছড়ে পড়তে পারে বলে পূর্বাভাস ছিল। এখনও ল্যান্ডফল না…

Chennai Airport

ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম (Cyclone Michaung) মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় অন্ধ্রপ্রদেশের বাপটলার নিকটবর্তী নেলোর এবং মছলিপত্তনমের মধ্যে স্থলভাগে আছড়ে পড়তে পারে বলে পূর্বাভাস ছিল। এখনও ল্যান্ডফল না হলেও টান্ডব শুরু হয়ে গিয়েছে। বঙ্গোপসাগরের উপর তীব্র ঘূর্ণিঝড়টি আরও তীব্র আকার ধারণ করছে। গত কয়েক ঘণ্টায় অন্ধ্রপ্রদেশ, পুদুচেরি এবং তামিলনাড়ুর বেশ কয়েকটি জায়গায় ভারী বৃষ্টি হয়েছে। এরই মাঝে ভ্রমণকারী বিমান যাত্রীদের জন্য স্বস্তির খবর। ১০০ কিমি গতিবেগ মিগজাউমের মাঝেই ঝুঁকি নিয়ে খুলল চেন্নাই বিমানবন্দর। ২৪ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর ৫ তারিখ থেকে চেন্নাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পুনরায় শুরু হল বিমান পরিষেবা।

চেন্নাই বিমানবন্দরের অফিসিয়াল হ্যান্ডেল X এ সকালে (9:37 am) একটি পোস্ট করে জানানো হয়, “এয়ারফিল্ড এখন সমস্ত অ্যারাইভাল এবং ডিপার্চার অপারেশনের জন্য খুলে দেওয়া হল।” এরপর মুম্বই থেকে ভিস্তারা ফ্লাইট UK821 অপারেশন পুনরায় শুরু করার পরে সকাল ১১:১৯ নাগাদ চেন্নাই বিমানবন্দরে প্রথম অবতরণ করে। চেন্নাই থেকে চণ্ডীগড়ের উদ্দেশ্যে সকাল 11:46 টায় রওনা দেয় ইন্ডিগো ফ্লাইট 6E6005।

   

আদিয়ার নদীর জল রানওয়েতে প্রবেশের কারণে ৪ ডিসেম্বর সকাল ৯:১৭ তে বিমান পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়। রানওয়ে, ট্যাক্সিওয়ে এবং এপ্রোনের কিছু অংশ যেখানে প্লেন দাঁড়ানো থাকে, সেই অংশগুলো প্লাবিত হয় সঙ্গে প্রবল ঝোড়ো হাওয়ার ফলে বিমানবন্দর বন্ধ করে দেওয়া হয়। বেশ কয়েকটি ফ্লাইট বাতিল এবং ডাইভার্ট করা হয় যার ফলে হাজার হাজার যাত্রী আটকা পড়েন। চেন্নাই বিমানবন্দরে আগত ফ্লাইটগুলি বেঙ্গালুরু, হায়দ্রাবাদ এবং ত্রিচিতে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়।

বেঙ্গালুরু ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট লিমিটেড (বিআইএএল)-এর তরফ থেকে ৪ ডিসেম্বর জানানো হয় যে ৩৩ টি আন্তর্জাতিক এবং অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট চেন্নাই থেকে বেঙ্গালুরুতে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ২০১৫ সালে, রানওয়েতে বন্যার কারণে চেন্নাই বিমানবন্দর প্রায় এক সপ্তাহের জন্য বন্ধ ছিল। অপরদিকে এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (এএআই) যাত্রীদের ফ্লাইটের স্থিতির জন্য এয়ারলাইন্সের সাথে চেক করার আহ্বান জানিয়েছে।

এএআইয়ের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন যে বৃষ্টি বন্ধ হয়ে গেছে এবং বিমানবন্দরে জলও কমে গেছে। “৫ ডিসেম্বর সকাল ৯টা থেকে এয়ারফিল্ড খোলা ছিল। রানওয়ে এবং ট্যাক্সিওয়েতে কোনও জমে থাকা জল নেই। তবে, সেখানে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে ময়লা এবং নোংরা রয়েছে। চারটি পরিষ্কার এবং ফ্লাশিং ট্রাক এই স্লাশ পরিষ্কার করার জন্য মোতায়েন করা হয়েছে, এবং কয়েকজন ব্যক্তিকে নিযুক্ত করা হয়েছে পরিচ্ছন্নতার প্রচেষ্টায়। সমস্ত যোগাযোগ, নেভিগেশন এবং নজরদারি/এয়ার ট্র্যাফিক ম্যানেজমেন্ট সুবিধাগুলি স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে।”