আসন্ন দীপাবলির আগেই ভারত ও বাংলাদেশের উপকূলে প্রবল সামুদ্রিক জলোচ্ছাস সহ সুপার সাইক্লোন সিত্রাং (Cyclone Sitrang Alert) হামলা করতে পারে। তার জন্ম লক্ষণ স্পষ্ট হতে শুরু করেছে।
এক নজরে সিত্রাং: সুপার সাইক্লোনের চেহারা নিচ্ছে সাগরের দানব।
- সুপার সাইক্লোনের গতিবেগ হতে পারে ঘণ্টায় ২১০-২৫০ কিলোমিটার।
- ১৫ থেকে ২০ ফুট উচ্চতার সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা রয়েছে।
- ভারত ও বাংলাদেশ উপকূলভাগ লণ্ডভণ্ড হওয়ার আশঙ্কা।
বঙ্গোপসাগরে চলতি মাসের শেষে একটি নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নিয়ে সুপার সাইক্লোনের শক্তি অর্জন করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা।
চলতি মাসেই বঙ্গোপসাগরে তৈরি হতে চলেছে ঘূর্ণিঝড়। এর গতি ভারত ও বাংলাদেশের যে কোনও একদিকে হবে। আপাতত এই ঝড়ের জন্ম নেওয়ার কিছু লক্ষ্ণণ ধরা পড়ছে। ঢাকায় বাংলাদেশ আবহাওয়া বিভাগের আধিকারিক মনোয়ার হোসেন জানান, অক্টোবর মাসের মাঝামাঝি বঙ্গোপসাগরে এক থেকে দুটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। আর সেই ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে উপকূলীয় অঞ্চল লন্ডভন্ড হতে পারে। মঙ্গলবার দুই দেশের আবহাওয়া বিভাগ থেকে এসেছে সুপার সাইক্নোন সিত্রাং সতর্কতা।
আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সমুদ্রে লঘু চাপ থেকে নিম্মচাপ হয়ে সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড় জন্ম নেয়। সেটি উপকূলের দিকে যেতে যেতে শক্তি অর্জন করে। উপকূলে প্রবেশ করে একসময় শক্তি হারায়। এই ঘূর্ণিঝড় বঙ্গোপসাগরীয় এলাকায় সাইক্লোন নামে পরিচিত। ঘন্টায় ২২০-২৫০ কিলোমিটার সুপার সাইক্লোন হিসেবে চিহ্নিত।
লঘু চাপ কী?
সমুদ্রে বাতাসের গড় গতিবেগ যদি ঘন্টায় ১৭ থেকে ৩০ কিলোমিটার হয় তাহলে তাকে লঘুচাপ বলে। এই লঘুচাপ একপর্যায়ে শক্তি বৃদ্ধি করে যখন বাতাসের গড় গতিবেগ ঘন্টায় ৩১ থেকে ৪০ কিলোমিটার হয়ে যায়। তখন একে নিম্নচাপ বলে।
আগামী সপ্তাহে বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের সৃষ্টি হতে পারে। এই ঘূর্নি ভারত-বাংলাদেশের উপকূলের যে কোনও একটি স্থান দিয়ে স্থলভাগ পার হতে পারে।