HomeBharatঅপারেশন সিঁদুর নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য BSF এর

অপারেশন সিঁদুর নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য BSF এর

- Advertisement -

জম্মু, ২৯ নভেম্বর: ভারত-পাকিস্তান সীমান্তের নিরাপত্তায় বিএসএফের (বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স) ভূমিকা সবসময়ই ছিল অটুট, কিন্তু আজ জম্মুতে একটা যৌথ প্রেস কনফারেন্সে বিএসএফের সিনিয়র অফিসাররা এমন বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন যা রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহলে ঝড় তুলেছে। অপারেশন সিঁদুর ১.০-এ বিএসএফ ১১৮টি পাকিস্তানি সীমান্ত পোস্ট ধ্বংস করেছে।

যার ফলে পাকিস্তানকে বাধ্য হয়ে ৭২টি টেরর লঞ্চপ্যাড সীমান্ত থেকে গভীর অঞ্চলে সরিয়ে নিতে হয়েছে। আরও গুরুত্বপূর্ণ, বিএসএফ এখন অপারেশন সিঁদুর ২.০-এর জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত, যদি কেন্দ্রীয় সরকার এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেয়। এই ঘোষণা শুধু সীমান্তের যোদ্ধাদের সাহসের প্রতীক নয়, এটা পাকিস্তানের টেররিজমকে নতুনভাবে চ্যালেঞ্জ জানানো।

   

Maruti Suzuki e Vitara আসছে ২ ডিসেম্বর, লঞ্চের আগে জানুন বৈশিষ্ট্য

২২ এপ্রিল, যখন জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে একটা নৃশংস জঙ্গি হামলা হয়। ২৬ জন নিরীহ মানুষের প্রাণহানি হয় যাদের মধ্যে ছিলেন পর্যটক, স্থানীয়রা এবং নিরাপত্তা কর্মীরা। তদন্তে জানা যায়, এই হামলার পিছনে পাকিস্তান-সমর্থিত জঙ্গি গ্রুপের হাত, আছে এই ঘটনা ভারতকে বাধ্য করে অপারেশন সিঁদুর শুরু করতে, যা ৭ থেকে ১০ মে পর্যন্ত চলে। বিএসএফের জম্মু ফ্রন্টিয়ারের আইজি শশাঙ্ক আনন্দ বললেন, “আমরা শুধু টেরর ইনফ্রাস্ট্রাকচারকে টার্গেট করেছিলাম, কিন্তু পাকিস্তান এটাকে যুদ্ধ বলে দেখল এবং প্রতিশোধ নিতে গিয়ে নিজেরাই ধ্বংস হয়ে গেল।

“অপারেশনে বিএসএফ ৭৬টি পাকিস্তানি বর্ডার আউটপোস্ট এবং ৪২টি ফরওয়ার্ড ডিফেন্স লোকেশন (এফডিএল) আক্রমণ করে। সিয়ালকোট অঞ্চলে পাকিস্তানি বাঙ্কার, সার্ভেইল্যান্স ইকুইপমেন্ট এবং কমিউনিকেশন টাওয়ার ধ্বংস হয়। ইন্টেলিজেন্স ইনপুট অনুসারে, তিনটি টেরর লঞ্চপ্যাড সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন হয়েছে, যাতে জৈশ-ই-মোহাম্মদ এবং লস্কর-ই-তৈবার জঙ্গিরা প্রশিক্ষণ নিত। এতে পাকিস্তানি রেঞ্জারদের মধ্যে বেশ কয়েকজন নিহত হয়েছে।

আইজি আনন্দ বললেন, “পাকিস্তানি রেঞ্জাররা তাদের পোস্ট থেকে পালিয়ে যায়, কিন্তু পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সবাই ফিরে আসবে। আমরা তৈরি আছি।” এই অপারেশনে বিএসএফের দুই শহীদের স্মৃতিতে সাম্বা জেলায় একটা পোস্টের নামকরণ করা হয়েছে ‘সিঁদুর’। বিএসএফের সাফল্যের ফলে পাকিস্তানকে বাধ্য হয়ে তাদের টেরর স্ট্রাকচার পুনর্গঠন করতে হয়েছে। ডিআইজি কুলওয়ান্ত রাই শর্মা বললেন, “অপারেশনের পর পাকিস্তান ৭২টি টেরর লঞ্চপ্যাড সীমান্ত থেকে গভীর অঞ্চলে সরিয়ে নিয়ে গেছে।

আগে জৈশ নিচের দিকে এবং লস্কর উপরের দিকে আলাদা এলাকায় প্রশিক্ষণ নিত, কিন্তু এখন তারা মিশ্র গ্রুপ গঠন করেছে। যারা চায়, তারা এই গ্রুপে ট্রেনিং নেবে।” এই শিফটিংয়ের ফলে সীমান্তে সরাসরি হামলার ঝুঁকি কমেছে, কিন্তু বিএসএফের সতর্কতা অব্যাহত। আইজি পবিত্র কুনওয়ার বললেন, “আমরা ১৯৬৫, ১৯৭১, কার্গিল যুদ্ধ থেকে শিখেছি। অপারেশন সিঁদুরে আমরা হাইব্রিড ওয়ারফেয়ারের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। সরকার যা সিদ্ধান্ত নিক, আমরা তার সঙ্গে আছি।”

- Advertisement -
এই সংক্রান্ত আরও খবর
- Advertisment -

Most Popular