
হিমাচল প্রদেশে রাজনৈতিক সঙ্কট (Political Crisis) যেন কাটতেই চাইছে না। রাজ্যসভা নির্বাচনে বিজেপির পক্ষে ভোট দেওয়ার অভিযোগে ছয় কংগ্রেস বিধায়কের বিরুদ্ধে বড় অ্যাকশন নেওয়া হয়েছে। বিধানসভার স্পিকার কুলদীপ সিং পাঠানিয়া এই বিধায়কদের অযোগ্য ঘোষণা করেছেন।
যে বিধায়কদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তাঁরা হলেন সুধীর শর্মা, রাজিন্দর রানা, লখনপাল, দেবেন্দ্র ভুট্টো, চৈতন্য শর্মা এবং রবি ঠাকুর। তবে ক্রস ভোটিংয়ের (Cross Voting) কারণে এই বিধায়কদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। স্পিকারের মতে, দলত্যাগ বিরোধী আইনে বিধায়কদের দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘রাজ্যসভার নির্বাচনী হুইপ অনুযায়ী ক্রস ভোটিং হওয়া উচিত হয়নি, কিন্তু সেই হুইপ আমার সিদ্ধান্তের অংশ নয়। রায়ে এটাকে অনৈতিক বলে অভিহিত করেছি। সুপ্রিম কোর্ট এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।’ স্পিকার আরও বলেন, ওই বিধায়কদের আচরণ নির্বাচিত সরকারের অধীনে ছিল না। ‘আয়া রাম গয়া রাম’-এর রাজনীতি হওয়া উচিত নয়। হিমাচলের (Himachal Pradesh) রাজ্যসভা নির্বাচনের হুইপ এই সিদ্ধান্তের অংশ নয়। বাজেট অধিবেশনের হুইপের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্টের আগের সিদ্ধান্তের কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সাসপেন্ডেড বিধায়ক সুধীর শর্মা বলেন, “আমরা এই সিদ্ধান্তকে আদালতে চ্যালেঞ্জ জানাব। আমরা ভয়ে রাজনীতি করি না। সরকার অবশ্যই রাজ্যের স্বার্থে যাবে। সরকার সংখ্যালঘু।” হিমাচল প্রদেশে অনুষ্ঠিত রাজ্যসভা নির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থী অভিষেক মনু সিংভিকে পরাজিত হতে হয়েছিল। বিধানসভায় ৬৮টি আসন রয়েছে। কংগ্রেসের রয়েছে ৪০ জন বিধায়ক। ছয় বিধায়ক বিদ্রোহ করে বিজেপি প্রার্থী হর্ষ মহাজনের পক্ষে ভোট দেন। হর্ষ মহাজন ৩ নির্দল বিধায়কের সমর্থনও পেয়েছিলেন। নির্বাচনের পর হরিয়ানার পঞ্চকুলার একটি হোটেলে অবস্থান করেন বিদ্রোহী কংগ্রেস বিধায়করা।
বিধায়করা বিদ্রোহ করায় কংগ্রেস সরকারের সঙ্কট দেখা দেয়। মন্ত্রী বিক্রমাদিত্য সিংও পদত্যাগ করেছেন। যদিও পরে তিনি পদত্যাগপত্র প্রত্যাহার করে নেন। তিনি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বীরভদ্র সিংয়ের ছেলে এবং পিডব্লিউডি মন্ত্রী।










