IFA Shield: চাঁদনীর বিপক্ষে বড় ব্যবধানে জিতে সেমিফাইনালে ইস্টবেঙ্গল

ফের বড়সড় ব্যবধানে জয়। নির্ধারিত সূচি অনুসারে আজ আইএফএ শিল্ডের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে চাঁদনী এফসির মুখোমুখি হয়েছিল ইমামি ইস্টবেঙ্গলের মহিলা দল। নির্ধারিত সময়ের শেষে ১১-০ গোলে ম্যাচ জয় ...

By Rana Das

Published:

Follow Us
East Bengal FC

ফের বড়সড় ব্যবধানে জয়। নির্ধারিত সূচি অনুসারে আজ আইএফএ শিল্ডের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে চাঁদনী এফসির মুখোমুখি হয়েছিল ইমামি ইস্টবেঙ্গলের মহিলা দল। নির্ধারিত সময়ের শেষে ১১-০ গোলে ম্যাচ জয় করে লাল-হলুদ শিবির। দলের হয়ে গোল করেন যথাক্রমে তুলসী, মৌসুমি, বর্নালী ও সুলঞ্জনা। আজকের এই জয়ের ফলে অপরাজিত ভাবে শিল্ডের সেমিফাইনালে পৌঁছে যায় রিম্পা-রত্নারা।
বলাবাহুল্য, গত আইলিগের শেষের দিকে পারফরম্যান্স খুব একটা ভালো না হলেও আইএফএ শিল্ডের শুরু থেকেই অন্য মেজাজে ধরা দেয় ইস্টবেঙ্গল। টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে তেহট্ট স্টেডিয়ামে নদীয়া ডিস্ট্রিক্ট ক্লাব কে পরাজিত করে লাল-হলুদ ব্রিগেড। তারপর আজ চাঁদনী দলের মুখোমুখি হয় ইস্টবেঙ্গল। সেখানেও এবার বড় ব্যবধানে জয়। ম্যাচের শুরুতেই ঠিক ১ মিনিটের মাথায় তুলসীর গোলে এগিয়ে যায় কলকাতার এই প্রধান। তারপর ঠিক ২ মিনিটের মাথায় মৌসুমি মুর্মুর গোলে ব্যবধান বাড়ায় দল। তারপর মিনিট পাঁচেকের মাথায় তুলসীর আবার গোল। ম্যাচে তৃতীয় গোল পেলেও আক্রমণের ধার কমায়নি দল। ঠিক ১৯ মিনিটের মাথায় প্রতিপক্ষের রক্ষন ভেঙে গোল করে যান বর্নালী। তারপর ৩৪ মিনিটের মাথায় নিজের হ্যাট্রিক সম্পন্ন করেন তুলসী। এতে প্রথমার্ধের শেষে ৫-০ গোলে এগিয়ে যায় মশাল ব্রিগেড।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে প্রতি আক্রমণে ওঠার চেষ্টা করলেও আদতে ব্যর্থ হয় চাঁদনী দল। বরং ঠিক ৪৬ মিনিটের মাথায় নিজের দ্বিতীয় গোল করেন মৌসুমি। ঠিক দুই মিনিট পরেই তুলসীর চতুর্থ গোল। তারপর ৫০ ও ৫৫ মিনিটে টানা দুটি গোল। এরফলে নিজের ডবল হ্যাট্রিক সম্পন্ন করেন তুলসী। কিন্তু সেখানেই সব শেষ নয়। ঠিক ৫৮ মিনিটের মাথায় নিজের হ্যাট্রিক করেন মৌসুমি। শেষে অতিরিক্ত সময় ৯৩ মিনিটের মাথায় পেনাল্টি থেকে গোল সুলঞ্জনা রাউলের। যারফলে, ম্যাচ শেষে ১১ গোলে জয়ী হয় ইমামি ইস্টবেঙ্গল।

ভিডিও নিউজ দেখুন

Rana Das

Rana Das pioneered Bengali digital journalism by launching eKolkata24.com in 2013, which later transformed into Kolkata24x7. He leads the editorial team with vast experience from Bartaman Patrika, Ekdin, ABP Ananda, Uttarbanga Sambad, and Kolkata TV, ensuring every report upholds accuracy, fairness, and neutrality.

Follow on Google