কোচবিহার: ৪৮ ঘণ্টা পরেই উত্তরবঙ্গ থেকে বাংলার প্রথম দফার নির্বাচন শুরু৷ মঙ্গলবাসরীয় প্রচারের শেষলগ্নে বাংলার উন্নয়নের জন্য পাঁচ বছর চাইলেন রুপোলি পর্দার ড্রিম গার্ল হেমামালিনী৷ এদিন বিজেপি সাংসদ ও অভিনেত্রী হেমা মালিনী বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এর প্রচারে কোচবিহারে সক্রিয় ছিলেন। তিনি বলেছেন, এখানকার পরিস্থিতি খুব ভালো দেখাচ্ছে এবং মানুষের মধ্যে প্রচণ্ড উৎসাহ দেখা যাচ্ছে।
হেমা মালিনীর বক্তব্য
কোচবিহারে একটি জনসভায় হেমা মালিনী বলেন, “এখানকার অবস্থা ভালো দেখাচ্ছে। আজ সকাল থেকে আমি দু’তিনটি জায়গায় গিয়েছি। খুব সুন্দর লাগছে এবং মানুষ খুব উৎসাহী। আমাদের অবশ্যই আসা উচিত।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা তৃণমূলকে ইতিমধ্যে ১৫ বছর সময় দিয়েছি। যদি মানুষ আমাদের পাঁচ বছর দেখেন, তাহলে পার্থক্য বুঝতে পারবেন। গত ১৫ বছর মমতা ব্যানার্জিকে দেওয়া হয়েছে, কিন্তু কিছুই হয়নি।”
হেমা মালিনীর এই মন্তব্যে তৃণমূল কংগ্রেসের ১৫ বছরের শাসনকে ‘ব্যর্থ’ বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন যে বিজেপি ক্ষমতায় এলে রাজ্যের পরিবর্তন আসবে এবং মানুষ সেই পার্থক্য সহজেই বুঝতে পারবেন।
কোচবিহারে বিজেপির প্রচার
হেমা মালিনী কোচবিহারে দু’-তিনটি জায়গায় প্রচার করে মানুষের উৎসাহ দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁর উপস্থিতি বিজেপির তারকা প্রচারের অংশ। দলটি উত্তরবঙ্গে বিশেষ করে কোচবিহার জেলায় জোরালো লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
হেমা মালিনী বলেছেন, “মানুষ খুব উৎসাহী।” তাঁর কথায় স্পষ্ট যে বিজেপি কোচবিহারে ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছে বলে দল মনে করছে।
রাজনৈতিক তাৎপর্য
হেমা মালিনীর এই সফর বিজেপির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তিনি ১৫ বছরের তৃণমূল শাসনের বিরুদ্ধে সরাসরি তুলনা টেনে বলেছেন যে বিজেপিকে মাত্র পাঁচ বছর সুযোগ দিলেই মানুষ উন্নয়নের পার্থক্য বুঝতে পারবেন।
কোচবিহারে বিজেপির কর্মীরা মনে করছেন, হেমা মালিনীর মতো জনপ্রিয় মুখের উপস্থিতি স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে দলের বার্তা আরও জোরালোভাবে পৌঁছে দিচ্ছে।
তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে এখনও এই মন্তব্যের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি।
ভোট যত এগিয়ে আসছে, কোচবিহারসহ উত্তরবঙ্গে বিজেপির প্রচার আরও জোরদার হচ্ছে। হেমা মালিনীর এই সফর দেখিয়ে দিচ্ছে যে বিজেপি রাজ্যে ‘পরিবর্তনের’ বার্তা নিয়ে মাঠে নেমেছে।




















