ভোটের ঠিক আগে ফের বড়সড় (BJP) চাঞ্চল্য ছড়াল মালদা জেলায়। বিপুল নগদ টাকা-সহ গ্রেপ্তার হলেন এক বিজেপি প্রার্থীর ভাই। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র চাপানউতোর। জানা গিয়েছে, মালদার চাঁচল বিধানসভা এলাকার বরুই অঞ্চলে নিয়মিত টহল দিচ্ছিল পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। ভোটের নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে যৌথভাবে চলছিল এই নজরদারি। সেই সময় গ্রামীণ রাস্তায় সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায় এক যুবককে।
পুলিশ সূত্রে খবর, ওই যুবকের নাম বিপ্লব দাস।(BJP) তিনি চাঁচল বিধানসভার এক বিজেপি প্রার্থীর ভাই বলেও প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। টহলরত বাহিনী তাকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। আচরণে অসংলগ্নতা এবং সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ্য করে পুলিশ তার বাইক তল্লাশি করে। তল্লাশির সময় বাইক থেকে উদ্ধার হয় বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা।প্রাথমিকভাবে উদ্ধার হওয়া টাকার পরিমাণ নিয়ে স্পষ্ট কিছু জানা না গেলেও, পুলিশের অনুমান এটি যথেষ্ট বড় অঙ্কের অর্থ। কোনও বৈধ নথি বা উপযুক্ত ব্যাখ্যা না দিতে পারায় বিপ্লব দাসকে ঘটনাস্থল থেকেই আটক করা হয় এবং পরে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনার পরই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন উঠছে, ভোটের ঠিক আগে এত বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা কোথা থেকে এল এবং কী উদ্দেশ্যে তা নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তদন্তকারীরা বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন এবং অর্থের উৎস ও গন্তব্য খতিয়ে দেখছেন।
পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর(BJP) যৌথ টহল বাহিনী ইতিমধ্যেই পুরো ঘটনার রিপোর্ট নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দিয়েছে। কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, ভোটের সময়কালীন সব ধরনের নগদ অর্থের গতিবিধির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে, যাতে কোনওভাবেই নির্বাচনী প্রক্রিয়া প্রভাবিত না হয়। এদিকে রাজনৈতিক মহলেও এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে উত্তেজনা। বিরোধী শিবিরের দাবি, ভোটের আগে এই ধরনের ঘটনা নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। অন্যদিকে শাসক ও বিজেপি উভয় পক্ষ থেকেই এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় স্তরে চাপানউতোর বাড়ছে বলেই জানা গিয়েছে।
তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, উদ্ধার হওয়া অর্থ নির্বাচনী কাজে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে আনা হচ্ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি ওই যুবকের মোবাইল ফোন ও অন্যান্য সামগ্রীও বাজেয়াপ্ত করে ফরেনসিক পরীক্ষা করা হতে পারে। এই ঘটনার পর এলাকায় নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। টহলদারি বাড়ানো হয়েছে বরুই অঞ্চল ও আশপাশের এলাকায়। ভোটের আগে যাতে কোনও ধরনের অবৈধ অর্থ বা প্রভাব খাটানোর চেষ্টা না হয়, সেদিকে কড়া নজর রাখছে প্রশাসন।




















