Suvendu Adhikari: শুভেন্দুর করা মামলায় বিপাকে পড়ে রাজীব সিনহা চাইলেন ক্ষমা

গত বছর পঞ্চায়েত নির্বাচনের শুরু থেকেই রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ভোটের পর যখন গুচ্ছ গুচ্ছ মামলা হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে। সেই সময় বিরোধী দলনেতা ...

By Kolkata24x7 Team

Published:

Follow Us

গত বছর পঞ্চায়েত নির্বাচনের শুরু থেকেই রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ভোটের পর যখন গুচ্ছ গুচ্ছ মামলা হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে। সেই সময় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) করা একটি মামলায় রাজীব সিনহার বিরুদ্ধে রুল জারি হয়েছিল। ভোট মিটে যাওয়ার ৬ মাস পর এবার নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলেন রাজীব সিনহা।

সোমবার প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানমের বেঞ্চে হলফনামা জমা দেন রাজীব সিনহা। সেখানেই ক্ষমা চাওয়ার কথা রয়েছে। যদিও রাজীব সিনহা ওই হলফনামায় আরও দাবি করেছেন, আদালতের সব নির্দেশ মেনেই ভোট প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছিল।

   

ভোটের পরই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী আদালতে দ্বারস্থ হয়েছিলেন। তার অভিযোগ ছিল, কেন্দ্রীয় বাহিনীর ব্যবহার সঠিকভাবে হয়নি পঞ্চায়েত ভোটে। আদালতের নির্দেশ থাকার পরও কেন রাজ্য নির্বাচন কমিশন কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করা হল না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন শুভেন্দু। আদালত অবমাননার অভিযোগ ওঠে রাজীব সিনহার বিরুদ্ধে।

সোমবার হলফনামা জমা পড়ার পর আইনজীবীকে প্রধান বিচারপতি বলেন, “আদালতের সব নির্দেশ মেনেছি, কিছু ভুল হয়নি, যা হয়েছে তা অনিচ্ছাকৃত… আদালত অবমাননা হয়নি। এই সব লিখেছেন তো?” আইনজীবী উত্তরে জানিয়েছেন, কোনও ভুল হয়ে থাকলে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়া হয়েছে। সেটাও আদালত দেখবে বলে জানিয়েছেন প্রধান বিচারপতি।

হলফনামায় রাজীব সিনহা উল্লেখ করেছেন, আদালতের সব নির্দেশ মেনে ভোট প্রক্রিয়া হয়েছে। তারপরও যদি কোনও ভুল হয়ে থাকে, তাহলে তার জন্য ক্ষমা চেয়েছেন তিনি। আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে। উল্লেখ্য, পঞ্চায়েত নির্বাচনে একের পর এক হিংসার অভিযোগ তুলে মামলা হয়েছিল আদালতে।

ভিডিও নিউজ দেখুন

Kolkata24x7 Team

আমাদের প্রতিবেদন গুলি kolkata24x7 Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।

Follow on Google