নয়াদিল্লি: পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ-সংকটের মধ্যেও ভারত সোনা আমদানির (Dubai Gold) ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকার মঙ্গলবার সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)-এর সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (CEPA)-এর আওতায় সোনা আমদানির জন্য কোটা-ভিত্তিক শুল্ক ছাড়ের লাইসেন্সের মেয়াদ ৩১ মার্চ, ২০২৬ থেকে বাড়িয়ে ৩০ জুন, ২০২৬ পর্যন্ত করেছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বৈদেশিক বাণিজ্যের মহাপরিচালক (DGFT) জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিশ্ব বাণিজ্য ও সরবরাহ ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করছে। আমদানিকারকদের সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের জন্য সোনা আমদানির ট্যারিফ রেট কোটা (TRQ) অনুমোদনের মেয়াদ বাড়ানো হল।”
কেন এই সিদ্ধান্ত?
- দুবাই (ইউএই) থেকে সোনা আমদানির উপর শুল্ক ছাড় পেতে এই কোটা ব্যবহার করা হয়।
- মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার কারণে সরবরাহ চেইন বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় সরকার আমদানিকারকদের আরও তিন মাস সময় দিয়েছে।
- চুক্তিটি ২০২২ সালে কার্যকর হয়েছিল।
ভারতে সোনার দাম বেড়েছে
মঙ্গলবার দিল্লির বুলিয়ন বাজারে প্রতি ১০ গ্রাম সোনার দাম ১,২০০ টাকা বেড়ে ১.৪৪ লক্ষ টাকা ছাড়িয়েছে। রুপার দাম প্রতি কেজি ২.৩০ লক্ষ টাকায় স্থিতিশীল রয়েছে।
দুবাইয়ে সোনা অনেক সস্তা
- দুবাইয়ে ২৪ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি গ্রাম প্রায় ১১,৮২৫ টাকা (৫২৩.২৫ দিরহাম), অর্থাৎ ১০ গ্রামের দাম ১,১৮,২৫০ টাকা।
- ভারতের তুলনায় দুবাইয়ে ১০ গ্রাম সোনা প্রায় ২২,০০০ থেকে ২৫,০০০ টাকা সস্তা।
- ২২ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি গ্রাম ১০,৯৫৫ টাকা।
বাংলার গ্রাহকদের জন্য কী অর্থ বহন করে?
কলকাতা, হাওড়া, দুর্গাপুর, শিলিগুড়িসহ সব জায়গাতেই সোনার দাম বেড়েছে। অনেকে দুবাই থেকে সোনা আনিয়ে গয়না বানানোর কথা ভাবছেন। কিন্তু নতুন নিয়মের কারণে ৩০ জুন পর্যন্ত কোটা-ভিত্তিক শুল্ক ছাড় পাওয়া যাবে। এরপর কী হয়, তা নির্ভর করবে সরকারের পরবর্তী সিদ্ধান্তের উপর।




















