HomeBusinessগ্রিন ইকোনমিতে গতি আনতে নতুন প্রতিষ্ঠান চায় CII

গ্রিন ইকোনমিতে গতি আনতে নতুন প্রতিষ্ঠান চায় CII

- Advertisement -

দেশের সবুজ অর্থনীতি শক্তিশালী করতে বিশেষ আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ‘টেক এক্সপো ফান্ড’ গঠনের প্রস্তাব দিল ইন্ডাস্ট্রি গ্রুপ কনফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রি (CII)। তাদের দাবি, ভারতের সবুজ রূপান্তর এগিয়ে নিতে দীর্ঘমেয়াদি ও স্বল্পসুদে অর্থের বড় ঘাটতি রয়েছে, যা দ্রুত পূরণ করা জরুরি।
সবুজ অর্থায়নের জন্য আলাদা প্রতিষ্ঠান গঠনের প্রস্তাব:

ভারত যখন ৫ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্যের দিকে এগোচ্ছে, তখন সবুজ অর্থনীতির পথে চলা আর আর বিকল্প নয়—এটি এখন একটি কৌশলগত প্রয়োজন। সেই লক্ষ্যেই কেন্দ্রকে একটি Green Finance Institution (GFI) তৈরির পরামর্শ দিয়েছে CII।

   

এই প্রতিষ্ঠান নবায়নযোগ্য শক্তি, পরিষ্কার পরিবহন, গ্রিন বিল্ডিং, শিল্পের দূষণ কমানোসহ বিভিন্ন সবুজ প্রকল্পে কম সুদের ঋণ, ইকুইটি সাপোর্ট, ক্রেডিট গ্যারান্টি এবং ছোট গ্রিন প্রকল্পগুলির জন্য সহজ অর্থায়ন নিশ্চিত করবে। এতে সবুজ প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ আরও সাশ্রয়ী ও সহজ হবে।

গিফট সিটিকে সবুজ বিনিয়োগের কেন্দ্র করার ভাবনা:
CII প্রস্তাব দিয়েছে, নতুন গ্রিন ফাইনান্স ইনস্টিটিউশনটি গুজরাটের GIFT City-তে ভিত্তি করা যেতে পারে। কারণ সেখানে নমনীয় নিয়ম, ট্যাক্স সুবিধা এবং বিদেশি বিনিয়োগ আনার সুযোগ বেশি। এর ফলে আন্তর্জাতিক সবুজ তহবিল, ইএসজি বিনিয়োগকারী ও গ্লোবাল ফাইনান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনগুলো সহজে ভারতের গ্রিন প্রজেক্টে বিনিয়োগ করতে পারবে।

সবুজ প্রযুক্তি রপ্তানি বাড়াতে ‘গ্রিন টেক এক্সপো ফান্ড’:
দেশীয় সবুজ প্রযুক্তি কোম্পানিগুলিকে আন্তর্জাতিক টেক ও সাসটেইনেবিলিটি এক্সপোতে অংশগ্রহণে সহায়তা করতে Green Tech Expo Fund তৈরির পরামর্শ দিয়েছে CII। এতে ভারতীয় কোম্পানিগুলির বিদেশি বিনিয়োগকারী, ক্রেতা ও প্রযুক্তি পার্টনারদের সঙ্গে সংযোগ বাড়বে এবং রপ্তানি বাড়ার সম্ভাবনা থাকবে।

নেট জিরো লক্ষ্যের জন্য বিশাল বিনিয়োগ প্রয়োজন:
CII জানিয়েছে, ভারতের সবুজ রূপান্তরের জন্য আগামী ১০–১৫ বছরে প্রায় ১ ট্রিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রয়োজন। আর ২০৭০ সালের মধ্যে প্রায় ১০ ট্রিলিয়ন ডলার পর্যন্ত বিনিয়োগ লাগবে নেট জিরো লক্ষ্যে পৌঁছাতে। বর্তমানে মাত্র ২৫% চাহিদাই পূরণ হচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদি, সুলভে পাওয়া মূলধনের বড় ঘাটতি প্রকাশ করে।

ই-বর্জ্য ও লিথিয়াম ব্যাটারির পুনর্ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার দাবি:
ইলেকট্রনিক বর্জ্য ও লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির বাধ্যতামূলক রিসাইক্লিং ও আরবান মাইনিং টার্গেট নির্ধারণেরও দাবি করেছে CII। অপরিশোধিত স্ক্র্যাপ বিদেশে রপ্তানি রোধে কড়া সার্টিফিকেশন প্রক্রিয়া চালু করার পরামর্শ দিয়েছে তারা।

এছাড়া, দেশীয় পরিশোধন শিল্প গড়ে তুলতে ফিসক্যাল ইনসেনটিভ, দ্রুত অনুমোদন এবং পুনরুদ্ধার করা গুরুত্বপূর্ণ খনিজের স্টকপাইলিং বাড়ানোর সুপারিশ করেছে সংগঠনটি।

- Advertisement -
এই সংক্রান্ত আরও খবর
- Advertisment -

Most Popular