‘কঠিন লড়াইয়ের সামনে মমতা!’ কেজরিওয়াল

বঙ্গের নির্বাচনী লড়াই যতই তীব্র হচ্ছে, ততই জাতীয় রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের নজর পড়ছে এই রাজ্যের দিকে। (Arvind Kejriwal)এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন আপ নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তিনি ফোনে ...

By Sudipta Biswas

Published:

Follow Us
arvind-kejriwal-supports-mamata-banerjee-west-bengal-election

বঙ্গের নির্বাচনী লড়াই যতই তীব্র হচ্ছে, ততই জাতীয় রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের নজর পড়ছে এই রাজ্যের দিকে। (Arvind Kejriwal)এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন আপ নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তিনি ফোনে কথা বলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়কে পূর্ণ সমর্থনের বার্তা দিলেন। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, তিনি এই নির্বাচনকে শুধুমাত্র একটি রাজ্যের ভোট হিসেবে নয়, বরং দেশের গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ লড়াই হিসেবেই দেখছেন।

কেজরিওয়াল নিজের বক্তব্যে বলেন, “আমি মমতা দিদির সঙ্গে ফোনে কথা বলেছি। তাঁকে সম্পূর্ণ সংহতি ও সমর্থন জানিয়েছি। তিনি অত্যন্ত কঠিন এক লড়াই লড়ছেন, যা ভারতীয় গণতন্ত্রের জন্যও খুব গুরুত্বপূর্ণ।” তাঁর এই মন্তব্যে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোড়ন তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে তিনি যখন দাবি করেন যে, কেন্দ্রীয় সরকার বিভিন্ন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করছে, তখন সেই অভিযোগ আরও বিতর্কের জন্ম দেয়। কেজরিওয়াল আরও বলেন,“সব প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করেও শেষ পর্যন্ত মোদীজি হারবেন।” কেজরিওয়ালের এই অবস্থান থেকে স্পষ্ট যে, বিজেপি-বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিগুলি একে অপরের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিতে চাইছে।

   

আরও দেখুনঃ প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এসপিজি কমান্ডো কীভাবে হওয়া যায়?

অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে কেজরিওয়ালের এই সমর্থনকে স্বাগত জানানো হয়েছে। দলের নেতারা বলছেন, এটি প্রমাণ করে যে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের বিরোধী শক্তি একজোট হয়ে লড়াই করতে চাইছে। তাঁদের মতে, এই নির্বাচন শুধুমাত্র ক্ষমতা দখলের লড়াই নয়, বরং গণতন্ত্র রক্ষার লড়াই।

তবে বিজেপির পক্ষ থেকে এই মন্তব্যকে গুরুত্ব দিতে নারাজ নেতারা। তাঁদের বক্তব্য, এই ধরনের মন্তব্য রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং বাস্তবতার সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক নেই। বিজেপির দাবি, তারা উন্নয়ন এবং সুশাসনের ভিত্তিতে ভোটের ময়দানে নেমেছে, এবং জনগণই শেষ কথা বলবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কেজরিওয়ালের এই বক্তব্য একদিকে যেমন বিরোধী ঐক্যের বার্তা দেয়, তেমনই ভোটের আগে রাজনৈতিক মেরুকরণ আরও বাড়াতে পারে। বিশেষ করে যখন জাতীয় স্তরের নেতারা রাজ্যের নির্বাচনে সরাসরি মন্তব্য করেন, তখন তা ভোটারদের মনোভাবেও প্রভাব ফেলতে পারে। এদিকে, সাধারণ মানুষের মধ্যেও এই বিষয়ে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। কেউ মনে করছেন, জাতীয় নেতাদের এই সমর্থন রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। আবার অন্য একাংশের মতে, শেষ পর্যন্ত স্থানীয় ইস্যুই ভোটের ফল নির্ধারণে সবচেয়ে বড় ভূমিকা নেয়।

Sudipta Biswas

Sudipta Biswas is a senior correspondent at Kolkata24x7, covering national affairs, politics and breaking news.

Follow on Google