এবার থেকে ৩ হাজার! অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের জন্য কী ভাবে আবেদন করবেন?

কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনে জয়ের পর এবার নিজেদের দেওয়া অন্যতম বড় প্রতিশ্রুতি পূরণে সক্রিয় হলো রাজ্যের নতুন বিজেপি সরকার। পূর্বতন সরকারের ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্পের নাম বদলে চালু হচ্ছে ‘অন্নপূর্ণা ...

By Moumita Biswas

Published:

Follow Us
agnimitra paul explained about annapurna bhandar form

কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনে জয়ের পর এবার নিজেদের দেওয়া অন্যতম বড় প্রতিশ্রুতি পূরণে সক্রিয় হলো রাজ্যের নতুন বিজেপি সরকার। পূর্বতন সরকারের ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্পের নাম বদলে চালু হচ্ছে ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’। তবে শুধু নাম পরিবর্তনই নয়, ভাতার পরিমাণ এক ধাক্কায় দ্বিগুণ করে মাসিক ৩,০০০ টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। বৃহস্পতিবার এই প্রকল্পের টাকা প্রদান এবং আবেদনের নিয়মাবলী নিয়ে বড় আপডেট দিলেন রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। (Annapurna Bhandar Scheme West Bengal)

কবে থেকে মিলবে টাকা?

মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানিয়েছেন, আগামী ১ জুন থেকেই উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে প্রকল্পের টাকা পাঠানো শুরু হবে। নির্বাচনী ইস্তেহারে মহিলাদের আর্থিক স্বনির্ভরতার যে আশ্বাস গেরুয়া শিবির দিয়েছিল, পয়লা জুন থেকেই তা বাস্তবায়িত হতে চলেছে।

   

আবেদনের নতুন নিয়ম

পূর্বতন সরকারের আমলে ‘দুয়ারে সরকার’ ক্যাম্পের মাধ্যমে আবেদন জানানো যেত, কিন্তু অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ক্ষেত্রে পদ্ধতিটি সম্পূর্ণ আলাদা। এই প্রকল্পের আবেদন গ্রহণ করা হবে শুধুমাত্র অনলাইনে। যাঁরা উচ্চশিক্ষিত নন বা প্রযুক্তিতে সাবলীল নন, তাঁদের সুবিধার্থে অত্যন্ত সহজ অনলাইন পোর্টাল তৈরি করা হচ্ছে। এমনভাবে পদ্ধতিটি সাজানো হচ্ছে যাতে একজন সাধারণ মানুষও কোনো সমস্যা ছাড়াই আবেদন করতে পারেন।

কারা পাবেন এই সুবিধা?

মন্ত্রী স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, যাঁরা আগে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাচ্ছিলেন, তাঁরা প্রত্যেকেই এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা পাবেন। এছাড়া, যাঁরা বর্তমানে সিএএ (CAA)-র জন্য আবেদন করেছেন, তাঁরাও এই প্রকল্পের সুবিধাভোগী হতে পারবেন। যাঁদের নাম ভোটার লিস্ট থেকে কাটা গেছে কিন্তু বর্তমানে ট্রাইব্যুনালের অধীনে আবেদন করেছেন, তাঁদের নাম বাদ দেওয়া হবে না। তবে মৃত ব্যক্তিরা বা অনুপ্রবেশকারী (রোহিঙ্গা বা বাংলাদেশি) হিসেবে চিহ্নিত কেউ এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না। যাঁদের নাম ভোটার তালিকা থেকে ডিলিট হয়েছে, তাঁদের নাগরিকত্ব যাচাইয়ের পরেই আবেদনের ছাড়পত্র দেওয়া হবে।

প্রশাসনিক এই পদক্ষেপের ফলে রাজ্যের কয়েক কোটি মহিলা সরাসরি উপকৃত হতে চলেছেন বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। প্রকল্পের টাকা বৃদ্ধির এই সিদ্ধান্ত নতুন সরকারের জনপ্রিয়তা আরও বাড়াবে বলেই দাবি গেরুয়া শিবিরের।

Moumita Biswas

দীর্ঘদিন ধরে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত। হাতেখড়ি হয়েছিল ‘একদিন’ সংবাদপত্র থেকে। দেশ ও রাজ্য রাজনীতির পাশাপাশি নানা বিষয়ে বিশ্লেষণধর্মী লেখা করেন।

Follow on Google