এই পয়লা বৈশাখেই স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার আহ্বান শাহের

জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জে নববর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত রাজনৈতিক সভা থেকে সরব হলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। পয়লা বৈশাখের আবহে দাঁড়িয়ে তিনি রাজ্যের শাসক দলকে নিশানা করে একের পর এক তীব্র ...

By Suparna Parui

Published:

Follow Us
Poila Boishakh Message: Shah Calls for a New “Golden Bengal”

জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জে নববর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত রাজনৈতিক সভা থেকে সরব হলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। পয়লা বৈশাখের আবহে দাঁড়িয়ে তিনি রাজ্যের শাসক দলকে নিশানা করে একের পর এক তীব্র রাজনৈতিক মন্তব্য করেন। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে উন্নয়ন, পরিবর্তন এবং আসন্ন নির্বাচনে বিজেপির লক্ষ্য নিয়ে স্পষ্ট বার্তা। সভামঞ্চ থেকে অমিত শাহ বলেন, “মমতা বিদায়ের সূচনা জলপাইগুড়ি থেকেই করতে হবে।” তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। নির্বাচনের আগে উত্তরবঙ্গকে কেন্দ্র করে এমন মন্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবর্তনের শুরু হতে পারে উত্তরবঙ্গ থেকেই।

নববর্ষের এই বিশেষ দিনে দাঁড়িয়ে তিনি আরও বলেন, “নববর্ষে গড়ে উঠুক সোনার বাংলা।” উন্নয়নের বার্তা দিয়ে তিনি দাবি করেন, বাংলাকে নতুন দিশায় এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এসেছে। তাঁর মতে, দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যে যে উন্নয়ন থমকে রয়েছে, তা পুনরায় গতিশীল করতে হলে পরিবর্তন প্রয়োজন। সভায় উপস্থিত জনতার উদ্দেশে তিনি জলপাইগুড়ির রাজনৈতিক গুরুত্বও তুলে ধরেন। অমিত শাহ বলেন, “জলপাইগুড়ির সাতটি আসন মোদীর হাতে তুলে দিন।” তাঁর দাবি, এই অঞ্চলের প্রতিটি আসনে বিজেপিকে সমর্থন জানালে রাজ্যে উন্নয়নের গতি আরও ত্বরান্বিত হবে।

   

রাজগঞ্জের এই সভায় প্রচুর সংখ্যক সমর্থকের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। নববর্ষের দিন হওয়ায় স্থানীয় মানুষজনের মধ্যেও উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। দলীয় পতাকা, স্লোগান এবং উৎসবের আবহে মিশে যায় রাজনৈতিক বার্তা। অমিত শাহ তাঁর বক্তব্যে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কথাও তুলে ধরেন। তিনি দাবি করেন, কেন্দ্রের একাধিক প্রকল্প বাংলার মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে। তাঁর মতে, সেই উন্নয়নকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তন জরুরি।

ভিডিও নিউজ দেখুন

Suparna Parui

হাতেখড়ি চ্যানেলে। খবরের গন্ধ শনাক্ত করার কৌশল শেখা সেখান থেকেই। তারপর ৬ বছর ধরে বিনোদন রাজনীতির খবরের ব্যবচ্ছেদ করে চলেছি। খবর শুধু পেশা নয়, একমাত্র নেশাও বটে।কাজের পাশাপাশি সিনেমা দেখতে, গান শুনতে, বেড়াতে যেতে খুব ভালোলাগে। তাই সময় সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ি নতুন অ্যাডভেঞ্চারের উদ্দেশ্যে।

Follow on Google