“ভোটের পরে মাছের দোকানে…”, বিজেপিকে খোঁচা অভিষেকের

রাজ্যে প্রথম দফার নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই রাজনৈতিক প্রচারে উঠে আসছে একের পর এক ব্যতিক্রমী ইস্যু। তার মধ্যে এবার অন্যতম আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে ‘মাছ’। বাঙালির খাদ্যাভ্যাসের ...

By Suparna Parui

Published:

Follow Us
Abhishek Banerjee Pushes for INDIA Alliance Unity on Deputy Speaker Post

রাজ্যে প্রথম দফার নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই রাজনৈতিক প্রচারে উঠে আসছে একের পর এক ব্যতিক্রমী ইস্যু। তার মধ্যে এবার অন্যতম আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে ‘মাছ’। বাঙালির খাদ্যাভ্যাসের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে থাকা এই বিষয়টি এখন সরাসরি রাজনৈতিক প্রচারের কেন্দ্রে। আর সেই ইস্যুকেই হাতিয়ার করে বিজেপিকে তীব্র কটাক্ষ করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

বুধবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুরে দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে এক নির্বাচনী সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে অভিষেক বলেন, “ভোটের পরে ওদের দিয়ে মাছ কাটাব।” তাঁর এই মন্তব্যে সভামঞ্চে উপস্থিত সমর্থকদের মধ্যে হাসির রোল পড়ে গেলেও, রাজনৈতিক মহলে তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা হিসেবে ধরা হচ্ছে। বিজেপি প্রার্থীদের সাম্প্রতিক ‘মৎস্যপ্রেম’ নিয়েই মূলত এই কটাক্ষ করেন তিনি। গত কয়েক দিনে দেখা যাচ্ছে, বিজেপির একাধিক প্রার্থী প্রচারে নেমে মাছ হাতে ছবি তুলছেন বা মাছ খাওয়ার প্রসঙ্গ তুলছেন। কেউ কেউ আবার বাজারে গিয়ে মাছ কিনে সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ‘মাছে-ভাতে বাঙালি’ এই পরিচয়কে সামনে রেখে বাঙালির আবেগে পৌঁছনোর চেষ্টা করছে গেরুয়া শিবির।

   

তবে এই পরিবর্তনকে একেবারেই সহজভাবে নিচ্ছে না তৃণমূল। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন বলেন, “২০২১ সালে যাঁরা বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভেঙেছিল, তাঁরাই এখন রুই-কাতলা-ইলিশ নিয়ে রাস্তায় ঘুরছে।” তাঁর অভিযোগ, বিজেপি বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে আগে আক্রমণ করলেও, এখন ভোটের মুখে এসে সেই সংস্কৃতিকেই ব্যবহার করার চেষ্টা করছে। এই ‘মাছ বিতর্ক’-এর সূত্রপাত হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে। হলদিয়ার এক নির্বাচনী সভায় তিনি রাজ্যের মৎস্যনীতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তার পাল্টা জবাবে তৃণমূল অভিযোগ তোলে, বিজেপি শাসিত বিভিন্ন রাজ্যে মাছ-মাংস বিক্রির ক্ষেত্রে নানা বিধিনিষেধ রয়েছে। ফলে বিজেপির এই ‘মৎস্যপ্রেম’ আসলে ভোটের রাজনীতির অংশ বলেই দাবি তৃণমূলের।

 

Suparna Parui

হাতেখড়ি চ্যানেলে। খবরের গন্ধ শনাক্ত করার কৌশল শেখা সেখান থেকেই। তারপর ৬ বছর ধরে বিনোদন রাজনীতির খবরের ব্যবচ্ছেদ করে চলেছি। খবর শুধু পেশা নয়, একমাত্র নেশাও বটে।কাজের পাশাপাশি সিনেমা দেখতে, গান শুনতে, বেড়াতে যেতে খুব ভালোলাগে। তাই সময় সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ি নতুন অ্যাডভেঞ্চারের উদ্দেশ্যে।

Follow on Google