কলকাতা: বাংলায় বিজেপি সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান দিয়ে শুরু হল বাংলার নয়া ইতিহাস। (Abhishek Banerjee)এর মধ্যেই বাংলার আবহে চাঞ্চল্য ছড়ালেন বাংলাদেশের শীর্ষ স্থানীয় সাংবাদিক সালাউদ্দিন শোয়েব চৌধুরী। জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ (JMB)-এর শীর্ষ নেতা সালাউদ্দিন সালেহিনের সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পর্ক নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন তিনি ।
নিজের এক্স হ্যান্ডেলে তিনি পোস্ট করে বলেছেন ২০১৪ সালে বাংলাদেশের জেল থেকে পালিয়ে আসার পর সালেহিনকে বিভিন্ন ছদ্মনামে (সান্নি, হাফিজুর রহমান শেখ, মাহিন) পশ্চিমবঙ্গে আশ্রয় দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই জঙ্গি সংগঠনের স্লিপার সেল রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায়, বিশেষ করে দক্ষিণ ও উত্তর ২৪ পরগনায় সক্রিয় বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি।
🚨 Connections Between JMB & Abhishek Banerjee!
According to a source, Salauddin Salehin, using various aliases such as Sunni, Hafizur Rahman Sheikh and Mahin – the Amir of notorious militancy outfit Jamaatul Mujahidin Bangladesh (JMB) has been sheltered by Trinamool Congress… pic.twitter.com/hjZpYB2AKT
— Salah Uddin Shoaib Choudhury (@salah_shoaib) May 8, 2026
সালাউদ্দিন সালেহিন জেএমবি-র বর্তমান আমির হিসেবে পরিচিত। বাংলাদেশে একাধিক বড় জঙ্গি হামলা ও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তাঁর নাম জড়িত। ২০১৪ সালে ময়মনসিংহের ত্রিশালে জেল ভ্যান থেকে তাঁকে সহযোগীরা ছিনিয়ে নিয়ে যায় বলে জানা যায়। তারপর থেকেই তিনি ভারতে আত্মগোপন করে আছেন বলে ধারণা। সূত্রের খবর, এই সময়কাল থেকেই তাঁর সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের যোগাযোগের অভিযোগ তুলেছেন এই প্রবীণ সাংবাদিক।
আরও দেখুনঃ শিলিগুড়ির প্রবীণ নেতা মাখনলালকে সম্মান, ব্রিগেড মঞ্চে আবেগঘন মুহূর্ত
যদিও এই অভিযোগ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রমাণিত হয়নি, তবু নিরাপত্তা মহলে এটি নিয়ে তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে।জেএমবি বাংলাদেশের একটি নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন, যারা ইসলামি খিলাফত প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ চালায়। ভারতে এর শাখা সক্রিয় হয়েছে বলে পূর্বে খবর প্রকাশিত হয়েছে। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে মুর্শিদাবাদ, মালদা, নদিয়া এবং ২৪ পরগনায় এই সংগঠনের স্লিপার সেল গড়ে ওঠার অভিযোগ রয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) এবং কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি একাধিক জেএমবি সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করেছে, যা এই উদ্বেগকে আরও বাড়িয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দারা এখন ভয়ে আছেন। দক্ষিণ ২৪ পরগনার একজন অভিভাবক বলেন, “আমরা শান্তিতে থাকতে চাই। জঙ্গি সংগঠনের স্লিপার সেল যদি সত্যিই এখানে থাকে, তাহলে আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিরাপদ নয়। প্রশাসনের উচিত তদন্ত করে সত্য উদঘাটন করা।” অনেকে মনে করছেন, সীমান্তের নিরাপত্তা এবং অনুপ্রবেশ রোধে আরও কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন।




















