১০ বছরের Facebook প্রেম পেতে সুইডেন থেকে ভারতে পৌঁছে বিয়ে করল বান্ধবী

কথিত আছে প্রেম সীমার বন্ধনে বিশ্বাস করে না৷ এমনই ছবি দেখা গেল উত্তর প্রদেশের ইটা জেলায়। এখানে এক অনন্য বিয়ের সাক্ষী হয়েছে মানুষজন৷ সুইডেন থেকে সাত সমুদ্র পাড়ি ...

By Rana Das

Published:

Follow Us
Facebook love

কথিত আছে প্রেম সীমার বন্ধনে বিশ্বাস করে না৷ এমনই ছবি দেখা গেল উত্তর প্রদেশের ইটা জেলায়। এখানে এক অনন্য বিয়ের সাক্ষী হয়েছে মানুষজন৷ সুইডেন থেকে সাত সমুদ্র পাড়ি দিয়ে আসা এক ফেসবুক (Facebook) বান্ধবী ভারতীয় সংস্কৃতি অনুযায়ী তার প্রেমিককে বিয়ে করেছেন। শুক্রবার অনুষ্ঠিত এই অনন্য বিয়ে দেখতে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। এলাকায় এখন আলোচনার বিষয় এই বিয়ে।

সুইডেন থেকে শুক্রবার ইটা জেলার আভাগড় শহরে পৌঁছান এক তরুণী। তিনি ১০ বছর ধরে ফেসবুকে এখানে বসবাসকারী যুবক পবনের সাথে প্রেম করছেন। দুজনেই হিন্দু রীতিতে বিয়ে করেছেন। আভাগড় শহরের বাসিন্দা গীতম সিং মোটরসাইকেল মেরামতের কাজ করেন৷ ছেলে পবন B.Tech করার পর দেরাদুনে চাকরি করে। পবন ফেসবুকের মাধ্যমে ক্রিস্টেনের সাথে দেখা করেন এবং ধীরে ধীরে তাদের বন্ধুত্ব প্রেমে পরিণত হয়। দুজনেই ফোন কল ও ভিডিও কলের মাধ্যমে একটানা কথা বলতে থাকেন।

   

প্রায় এক বছর আগে পবন আগ্রায় গিয়ে তার সঙ্গে দেখা করেন, সেখানে দুজনেই একসঙ্গে প্রেমের প্রতীক তাজমহল দেখেছিলেন। এর পাশাপাশি তারা বিয়ের সিদ্ধান্তও নেন। পবন জানান, তার পরিবারের সদস্যদের কোনো আপত্তি নেই। বিয়ের অনুষ্ঠান নিয়ে শুক্রবার সকাল থেকেই পবনের বাড়িতে খুশির আমেজ ছিল। হলদি ও মণ্ডপের অনুষ্ঠানের পর গতকাল রাতে হিন্দু রীতি অনুযায়ী ধুমধাম করে বিয়ে হয় দুজনের।

ক্রিস্টেন লিভার্ট প্রথমে আগ্রা পৌঁছেছিলেন যেখানে গভীর সন্ধ্যায় আওয়াগড়ে এসেছিলেন, যেখানে জলেসার রোডে অবস্থিত প্রেমা দেবী স্কুলে তাদের দুজনের বিয়ে হয়েছিল। বাবা পীতম সিং বলেন, শিশুদের সুখের মধ্যেই আমাদের সুখ নিহিত। আমরা এই বিয়েতে সম্পূর্ণ একমত। অন্যদিকে বিদেশ থেকে পাত্রী আসার খবর পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উভয়ের বিয়ে দেখতে বহু মানুষ আসেন।

Rana Das

Rana Das pioneered Bengali digital journalism by launching eKolkata24.com in 2013, which later transformed into Kolkata24x7. He leads the editorial team with vast experience from Bartaman Patrika, Ekdin, ABP Ananda, Uttarbanga Sambad, and Kolkata TV, ensuring every report upholds accuracy, fairness, and neutrality.

Follow on Google