Jalpaiguri: চাকরি দিতে নাম চেয়েছিলেন পার্থ, প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অনন্তর দাবি

তৃ়ণমূল কংগ্রেস মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে জেরা ও তল্লাশির সময় চাঞ্চল্যকর তথ্য এসেছে ইডির কাছে। চাকরি প্রার্থীদের সুপারিশ পত্র এবং নামের তালিকা পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে দিয়েছিলেন প্রাক্তন বিধায়ক অনন্তদেব ...

By Kolkata24x7 Team

Published:

Follow Us

তৃ়ণমূল কংগ্রেস মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে জেরা ও তল্লাশির সময় চাঞ্চল্যকর তথ্য এসেছে ইডির কাছে। চাকরি প্রার্থীদের সুপারিশ পত্র এবং নামের তালিকা পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে দিয়েছিলেন প্রাক্তন বিধায়ক অনন্তদেব অধিকারী। এই বিষয়েই মুখ খুললেন জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়ির প্রাক্তন টিএমসি বিধায়ক অনন্তদেব।

অনন্তদেব অধিকারীর দাবি, দলীয় বিধায়কদের ৫ টি করে নাম পাঠানো হোক এই নির্দেশ দিয়েছিলেন খোদ পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সেই কথাতেই ৫ টি নাম পাঠিয়েছি। কিন্তু তারা কেউ চাকরি পায়নি। আমরা, তৃণমূল বিধায়করা সেই সময়ে সবাই সুপারিশের চিঠি পাঠিয়েছিলাম। এমনকি নিজের ছেলে মেয়েদের নাম তিনি পাঠিয়েছিলেন স্বীকার প্রাক্তন বিধায়ক।

   

২০১৬ সালে ময়নাগুড়ি কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের টিকিটে জয়লাভ করেছিলেন অনন্তদেব অধিকারী। সেবছর সালে গ্রুপ ডি পদে নিয়োগের জন্য নাম চেয়ে পাঠিয়েছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। আপার প্রাইমারির ৪৮ জন চাকরি প্রার্থীর যে রোল নম্বর সংক্রান্ত কথা উঠেছে তা একেবারেই ভিত্তিহীন। আমার স্বাক্ষর মেলালেই বোঝা যাবে।আমি আমার প্যাডে আমি নিজে লিখেই সব চিঠি দিতাম। এমনটাই বক্তব্য অনন্তদেব অধিকারীর।

উল্লেখ্য, শুক্রবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে তল্লাহি অভিযান চালায় ইডি। উদ্ধার হয়, ২০১৬-র গ্রুপ ডি স্টাফ নিয়োগের ফাইনাল রেজাল্ট, বেশকিছু অ্যাডমিট কার্ড। একইসঙ্গে পার্সোনালিটি টেস্টেরও কিছু নথি মেলে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে। মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় গ্রুপ ডি স্টাফ নিয়োগের সঙ্গে যুক্ত একথা হাইকোর্টে জানিয়েছে ইডি। এবার কি তদন্তের জন্য প্রাক্তন বিধায়ককে তলব করবে ইডি প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও তার বান্ধবী অর্পিতাকে মুখোমুখি বসিয়ে সিজিও কমপ্লেক্সে জেরার প্রশ্ন তৈরি করেছে ইডি।

Kolkata24x7 Team

আমাদের প্রতিবেদন গুলি kolkata24x7 Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।