কলকাতা: আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম হ্রাসের স্পষ্ট প্রভাব পড়ল জ্বালানি বাজারে। আমেরিকা ও ইরানের সাম্প্রতিক উত্তেজনার আবহে হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দর কিছুটা নিম্নমুখী রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দেশের বাজারে পেট্রল ও ডিজেলের দামে কোনো পরিবর্তন ঘটাল না রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন সংস্থাগুলি (OMC)। গত ২৫ মে-র পর থেকেই দেশের খুচরা বাজারে জ্বালানির দাম এক জায়গায় স্থির রয়েছে।
রাজধানী দিল্লিতে লিটার প্রতি পেট্রল এখনও ১০০ টাকার ওপরে৷ ১০২.১২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে পেট্রল এবং ডিজেলের দাম প্রতি লিটার ৯৫.২০ টাকা। অন্যদিকে, দেশের বাণিজ্যনগরী মুম্বইয়ে পেট্রলের দাম ১১২ টাকা ছুঁইছুঁই (১১১.২১ টাকা) এবং ডিজেল বিক্রি হচ্ছে প্রতি লিটার ৯৯.৮২ টাকায়। কলকাতা, বেঙ্গালুরু এবং হায়দরাবাদের মতো মেট্রো শহরগুলিতেও পেট্রলের দাম প্রতি লিটার ১১০ টাকার উপরেই বজায় রয়েছে। তবে হায়দরাবাদ ছাড়া বাকি প্রধান শহরগুলিতে ডিজেলের দাম একশো টাকার কিছুটা নিচেই রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, পেট্রল ও ডিজেলের খুচরা মূল্যের পিছনে একাধিক বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক কারণ জড়িয়ে রয়েছে। এর মধ্যে সবথেকে বড় নিয়ামক হলো আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম, যা পরিশোধিত হওয়ার পর পাম্পে পৌঁছায়। পাশাপাশি, ভারত তার মোট জ্বালানি চাহিদার বড় অংশ বিদেশ থেকে আমদানি করায় রুপি বনাম ডলারের বিনিময় হারও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মার্কিন ডলারের সাপেক্ষে ভারতীয় মুদ্রা দুর্বল হলে আমদানির খরচ বাড়ে, যা সরাসরি প্রভাব ফেলে খুচরা বাজারে। এছাড়া কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের ধার্য করা নানা কর, পরিবহন খরচ এবং স্থানীয় চাহিদা ও জোগান পরিস্থিতিও তেলের চূড়ান্ত দাম নির্ধারণ করে।
বাড়ি সংক্রান্ত নথি তলব! আজই পুরসভার দফতরে যেতে পারেন অভিষেকের বাবা
জোরকদমে দল গঠন! ইমামির বিদায়ের পর ইস্টবেঙ্গলের ভরসা জুপিটার,





