নয়াদিল্লি: চলতি অর্থবর্ষের (AY 2026-27) আয়কর রিটার্ন (ITR) জমা দেওয়ার শেষ দিন ঘনিয়ে আসায় দেশজুড়ে শুরু হয়েছে তীব্র তোড়জোড়। হাতে মাত্র একদিন বাকি থাকায় শেষ মুহূর্তের ঝোঁকে ই-ফাইলিং পোর্টালে উপচে পড়ছে করদাতাদের ভিড়। এই পরিস্থিতির মাঝেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, গতবারের মতো এবারও কি আয়কর জমা দেওয়ার নির্ধারিত সময়সীমা বাড়াবে কেন্দ্র?
নিয়ম অনুযায়ী, সাধারণ ব্যক্তি ও বেতনভুগী করদাতাদের (যাঁদের অ্যাকাউন্ট অডিটের প্রয়োজন হয় না) আইটিআর-১ এবং আইটিআর-২ ফাইল করার শেষ দিন আগামী ৩১ জুলাই। প্রতি বছরই জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহে এসে ডেডলাইন বাড়ানোর জন্য নানা মহলে জোরালো দাবি ওঠে এবং জল্পনা তৈরি হয়। তবে বিগত কয়েক বছর ধরে সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ডিরেক্ট ট্যাক্সেস বা সিবিডিটি (CBDT)-এর পক্ষ থেকে শেষ মুহূর্তের বাড়তি সুযোগ দেওয়ার প্রবণতা অনেকটাই কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ে কর অনুশাসন বজায় রাখতে আয়কর বিভাগও নির্ধারিত ডেডলাইনেই অনড় থাকতে চায়।
পোর্টালে বাড়তি চাপ ও বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ:বিশেষজ্ঞদের মতে, শেষ মুহূর্তের এই হুড়োহুড়িতে পোর্টালে সার্ভার স্লো হয়ে যাওয়া বা প্রযুক্তিগত গোলযোগের আশঙ্কা থাকে। যদিও চলতি মরসুমে পোর্টাল তুলনামূলকভাবে অনেকটাই স্থিতিশীল রয়েছে, তবুও প্যানিক এড়াতে শেষ দিনের ভরসায় না থেকে দ্রুত রিটার্ন মিটিয়ে নেওয়ার পরামশই দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। উল্লেখ্য, কোনো করদাতা যদি ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে এই নির্দিষ্ট ডেডলাইনে রিটার্ন জমা দিতে ব্যর্থ হন, তবে তাঁরা চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ‘বিলেটেড রিটার্ন’ (Belated Return) ফাইল করার সুযোগ পাবেন। তবে সে ক্ষেত্রে আয়কর আইনের ধারা ২৩৪এফ অনুযায়ী লেট ফি বা জরিমানা এবং প্রযোজ্য সুদ দিতে হয়। ফলে সরকারিভাবে সময়সীমা বাড়ানোর কোনো নির্দেশিকা না আসা পর্যন্ত ৩১ জুলাইকেই চূড়ান্ত ধরে নিয়ে দ্রুত কাজ সেরে ফেলার তাগিদ দেওয়া হচ্ছে।
E20 পেট্রোলে গাড়ির মাইলেজ কমে? ইঞ্জিনে সমস্যা? সংসদে স্পষ্ট জবাব গড়করির
২০৩১ র মধ্যে ব্রিটেনের সবচেয়ে বড় বন্দরের অংশীদার হয়ে আরও বড় সাম্রাজ্যের মালিক হতে পারেন আদানি





