Sikkim Tunnel Tragedy: সিকিমে টানেল দুর্ঘটনায় মৃত শ্রমিকদের পরিবারের পাশে রাজ্য সরকার। সম্প্রতি, নির্মীয়মাণ টানেলে ভয়াবহ ধসের জেরে মৃত্যু হয় ১১ জন শ্রমিকের। তাদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা ছাড়াও চাকরি দিল সরকার। প্রাণ হারানো শ্রমিকরা বাংলার ডুয়ার্সের বাসিন্দা। সোমবা জলপাইগুড়ি সফরে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। মৃত শ্রমিকদের পরিবারের হাতে ক্ষতিপূরণের চেক ও চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যেই যাতে বাংলার শ্রমিকরা কাজ পান, এদিন তার আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
সোমবার, রাজ্য সরকারের তরফে মৃতদের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণের চেক তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী। এছাড়া, পরিবারের একজন উপযুক্ত সদস্যকে হোমগার্ডের চাকরি দেন, হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী। যে সকল পরিবারের সদস্য হোমগার্ড পদে যোগদান করতে শারীরিকভাবে উপযুক্ত নন, তাঁদের জন্য উপযুক্ত সরকারি চাকরির ব্যবস্থাও করা হয়েছে।
রাজ্য সরকারের ৫ লক্ষ ছাড়াও কেন্দ্রীয় সরকার এবং সংশ্লিষ্ট নির্মাণ সংস্থার পক্ষ থেকেও ক্ষতিপূরণ পাবেন মৃতের পরিবার। সব মিলিয়ে পরিবার ২১ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।
আর্থিক সাহায্য মৃতের পরিবারকে তুলে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “মানবিক ও দায়িত্ববোধ থেকে এসেছি। পেটের টানে সিকিমে গিয়েছিলেন ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করতে। বাংলায় তো কাজ নেই। এখন আমরা এসেছি। ধীরে ধীরে কাজ দেব।”
মৃত ১১ জন শ্রমিকের মধ্যে জলপাইগুড়ি জেলার মাল মহকুমার নয়জন শ্রমিক রয়েছেন। এই মর্মান্তিক ঘটনার পর শোকস্তব্ধ ডুয়ার্সের গোটা চা-বাগান এলাকা। একাধিক পরিবার তাদের একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্যকে হারিয়ে অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। কোনও মৃত শ্রমিকের বাড়িতে রয়েছে স্ত্রী ও ছোট সন্তান। কেউ রেখে গেলেন বাবা-মা কে।





