CISF র অভিযানে ব্যর্থ কয়লা চুরি! ৬ দিনের ধরপাকড়ে জালে ৫ কয়লা মাফিয়া

নয়াদিল্লি: কেন্দ্রীয় শিল্প নিরাপত্তা বাহিনী (CISF) দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অবৈধ কয়লা খনন, চুরি এবং অননুমোদিত পরিবহনের বিরুদ্ধে সফল অভিযান চালিয়েছে। গত ২০ জুলাই থেকে ২৬…

cisf-coal-crackdown

নয়াদিল্লি: কেন্দ্রীয় শিল্প নিরাপত্তা বাহিনী (CISF) দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অবৈধ কয়লা খনন, চুরি এবং অননুমোদিত পরিবহনের বিরুদ্ধে সফল অভিযান চালিয়েছে। গত ২০ জুলাই থেকে ২৬ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত এক সপ্তাহে সিআইএসএফের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ৮৫টি অভিযান পরিচালিত হয়। এতে ১,২৭৭ মেট্রিক টন অবৈধভাবে খনন করা ও পরিবহন করা কয়লা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

অভিযানে একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে, পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং ৪০টি যানবাহন আটক করা হয়েছে।সিআইএসএফ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই অভিযানগুলো ছিল সম্পূর্ণ গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক এবং সমন্বিত। দেশের কয়লা সমৃদ্ধ এলাকাগুলোতে বিশেষ নজর দেওয়া হয়। অবৈধ খননকারীদের একটি সংঘবদ্ধ চক্রকে চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চালানো হয়।

Advertisements

আরও দেখুনঃ প্রধানমন্ত্রীর নিরলস প্রচেষ্টায় ৪৫ তম বিশ্ব হেরিটেজে নাম লেখাল বুদ্ধের পদ চিহ্নিত সারনাথ

বাজেয়াপ্ত করা কয়লার বাজারমূল্য কয়েক কোটি টাকা হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। এই অভিযান দেশের খনিজ সম্পদ রক্ষায় সরকারের দৃঢ় অবস্থানের প্রতিফলন বলে মনে করা হচ্ছে।অবৈধ কয়লা খনন ও চুরি দীর্ঘদিন ধরে দেশের অর্থনীতির জন্য একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এতে সরকারের রাজস্ব ক্ষতি হয়, পরিবেশের ক্ষতি হয় এবং স্থানীয়ভাবে মাফিয়া চক্রের উত্থান ঘটে।

কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে সিআইএসএফ এই অভিযান আরও জোরদার করার পরিকল্পনা নিয়েছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, “অবৈধ খনন ও চুরির বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি। জনগণের সম্পদ রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব।” অভিযানে গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বাজেয়াপ্ত করা যানবাহনগুলোর মধ্যে ট্রাক, ট্র্যাক্টর ও অন্যান্য ছোট বড় যানও রয়েছে।

আরও দেখুনঃ অসমের উন্নতিতে বিশাল ভূমিকা-মনে রাখবে ইতিহাস! ধর্মেন্দ্রর পদত্যাগে বিস্ফোরক মামা

এই সাফল্যের পরিপ্রেক্ষিতে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অবৈধ কয়লা ব্যবসা শুধু অর্থনৈতিক ক্ষতি নয়, পরিবেশ দূষণ এবং জীবনহানিরও কারণ। অবৈধ খননের ফলে মাটির নিচের জলস্তর কমে যাচ্ছে, বনাঞ্চল ধ্বংস হচ্ছে এবং স্থানীয় মানুষের স্বাস্থ্য ঝুঁকির মুখে পড়ছে। সরকারি উদ্যোগে এই ধরনের অভিযান নিয়মিত চালানো প্রয়োজন বলে তাঁরা মনে করেন।