কলকাতা: শহরের ক্রমবর্ধমান যানজট কমাতে এবং গণপরিবহণ ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব করে তুলতে এবার রাজ্যে চালু হতে চলেছে বহুল প্রতীক্ষিত ‘ওয়াটার ট্যাক্সি’ (Water Taxi) পরিষেবা। শুক্রবার ভাটপাড়ার গোলঘর পার্কে এক খুঁটি পুজোর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এই যুগান্তকারী পরিকল্পনার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিং। গঙ্গা এবং তার শাখানদীগুলির দীর্ঘ ঐতিহ্যকে কাজে লাগিয়ে এই জলযান নামানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
পরিবহণ দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথম পর্যায়ে পরীক্ষামূলকভাবে দুটি গুরুত্বপূর্ণ রুটে এই ওয়াটার ট্যাক্সি চালানো হবে। এর মধ্যে একটি রুট নির্ধারিত হয়েছে ব্যারাকপুর থেকে বাবুঘাট এবং অপরটি বাবুঘাট থেকে মেটিয়াবুরুজ পর্যন্ত। মূলত স্বল্প দূরত্বের যাতায়াতে সড়কপথের উপর চাপ কমানোই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। এছাড়া সাধারণ যাত্রীদের সুবিধার্থে আগামী দিনে দূরপাল্লার ভেসেল বা জলযান চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে রাজ্য সরকারের।
উল্লেখ্য, কেরলের কোচীর ‘ওয়াটার মেট্রো’-র অভূতপূর্ব সাফল্যের পরই কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যোগে দেশের একাধিক রাজ্যে এই ধরনের জলপথ পরিবহণ চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়। এর আগে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও নবান্ন থেকে এক বৈঠকে কলকাতায় ওয়াটার মেট্রো চালুর সপক্ষে জোরালো উদ্যোগের কথা জানিয়েছিলেন। অবশেষে সেই রূপরেফাই বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে।
প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, এই আধুনিক জলযানগুলি সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব ব্যাটারি ও ইলেকট্রিক হাইব্রিড প্রযুক্তিতে পরিচালিত হবে। নির্দিষ্ট জেটি বা টার্মিনাল থেকে নিয়মিত চলাচল করার পাশাপাশি যাত্রীদের টিকিটের জন্য স্মার্ট কার্ড এবং কিউআর কোড (QR Code)-এর মতো ডিজিটাল ব্যবস্থার সুবিধা থাকবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, তীব্র যানজটের শহর কলকাতায় এই ওয়াটার ট্যাক্সি চালু হলে দৈনন্দিন যাত্রীদের যাতায়াত যেমন অনেকটাই সুগম হবে, তেমনই বিকল্প জলপথ পরিবহণের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
বাড়ি সংক্রান্ত নথি তলব! আজই পুরসভার দফতরে যেতে পারেন অভিষেকের বাবা
জোরকদমে দল গঠন! ইমামির বিদায়ের পর ইস্টবেঙ্গলের ভরসা জুপিটার,





