পুনে: মহারাষ্ট্রের পিম্পরি চিঞ্চওয়াড এলাকায় একটি বেকারিতে গোমাংস কেলেঙ্কারি ফাঁস (Bakery Meat)হয়েছে। পুলিশের অভিযানে উদ্ধার হয়েছে গোমাংসের স্টক এবং প্রমাণ যে, একই পাত্র ও যন্ত্রপাতি দিয়ে বিস্কুট ও অন্যান্য বেকারি পণ্য তৈরি করা হত। এই বিস্কুটগুলো শত শত দোকানে সরবরাহ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। ঘটনাটি এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগ উঠেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বেকারির মালিক ও তার সহযোগীদের গ্রেফতার করা হয়। বেকারির ভিতর থেকে বিপুল পরিমাণ গোমাংস উদ্ধার হয়েছে। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, অভিযোগ অনুসারে গোমাংস প্রক্রিয়াকরণের জন্য যে পাত্র ও ওভেন ব্যবহার করা হতো, সেই একই সরঞ্জামে বিস্কুট, পাউরুটি ও অন্যান্য খাবার তৈরি করা হত।
আরও দেখুনঃ সংসদ অভিযানের ডাক ঘিরে রণক্ষেত্র দিল্লি, লাঠিচার্জ-কাঁদানে গ্যাসে উত্তপ্ত রাজধানী
এই পণ্যগুলো শহরের বিভিন্ন দোকান, হোটেল এবং স্কুল-কলেজ ক্যান্টিনে সরবরাহ করা হতো। ফলে শত শত মানুষ অজান্তেই এই দূষিত খাবার খেয়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।স্থানীয় হিন্দু সংগঠনগুলো ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে। তাঁরা বলছেন, এটি শুধু খাদ্য নিরাপত্তার লঙ্ঘন নয়, বরং ধর্মীয় অনুভূতিতে সরাসরি আঘাত। একজন স্থানীয় নেতা বলেন, “গোমাতাকে যারা পবিত্র মনে করে, তাদের সঙ্গে এমন প্রতারণা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
পুরো ষড়যন্ত্রের তদন্ত হওয়া উচিত।” পুলিশ জানিয়েছে, বেকারির মালিকের বিরুদ্ধে খাদ্য নিরাপত্তা আইন, পশু হত্যা সংক্রান্ত আইন এবং অন্যান্য ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। যেসব দোকান থেকে এই বেকারির পণ্য সরবরাহ করা হতো, সেসব দোকানের সামনে এখন ভিড় জমছে।
আরও দেখুনঃ ‘বন্দে মাতরম অবমাননা বিল মুসলিমদের কোনঠাসা করার জন্য!’ মত জঙ্গি উমর খালিদ পিতার
অনেকে তাদের কেনা বিস্কুট ফেরত দিতে শুরু করেছেন। পুরসভা কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে ওই বেকারির লাইসেন্স বাতিল করেছে এবং আশপাশের অন্যান্য বেকারিতে তল্লাশি শুরু করেছে। স্বাস্থ্য বিভাগও সতর্ক হয়ে উঠেছে। তারা জানিয়েছে, যারা সম্প্রতি ওই বেকারির পণ্য খেয়েছেন, তাঁদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।





