ঢাকা: কলকাতায় এই মুহূর্তে শোরগোল ফেলেছে ১৩৬ বছরের বাঁকড়া (Hindu Temple)মসজিদের স্থানান্তর এবং তাকে ঘিরে বিতর্ক। কলকাতা বিমানবন্দরের ভিতরে রানওয়ের প্রায় মধ্যে ঢুকে থাকা এই মসজিদ ঘিরে এই মুহূর্তে বেশ উত্তেজিত কলকাতার মুসলিম সমাজ। এই আবহেই বাংলাদেশে ফের প্রাচীন হিন্দু মন্দির ধ্বংস করার নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অভিযোগ করা হয়েছে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নোয়াখালীতে প্রায় ৫০০ বছরের পুরনো একটি হিন্দু মন্দির সম্পূর্ণরূপে ধ্বংসের নির্দেশ দিয়েছেন।
তবে এই প্রথম নয় সম্প্রতি গাইবান্ধা উপজেলায় ৮০ ফুট উঁচু রামের মূর্তি ভাঙার নির্দেশ ও দিয়েছিলেন তিনি। পাশাপাশি রাম মন্দির নির্মাণকারী ব্যক্তিকেও গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কলকাতায় নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়ে সম্প্রসারণের জন্য বাঁকড়া এলাকার গৌরীপুর জামে মসজিদ (১৩৬ বছর বয়সী) স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
আরও দেখুনঃ গাইবান্ধা মন্দির দর্শনে যাওয়ার পথে বাস থামিয়ে হিন্দু দর্শনার্থীদের মারধর বাংলাদেশি মৌলবাদীদের
বিমান চলাচলের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে রাজ্য সরকার ও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত নেয়। মসজিদ কমিটির সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং স্থানান্তরের জন্য বিকল্প জায়গা ও সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। বিবিসি বাংলা এই খবরটি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরলে বিষয়টি আন্তর্জাতিক মহলে আলোচিত হয়। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীসহ বিভিন্ন নেতা এই স্থানান্তরের পক্ষে যুক্তি দেন যে, উন্নয়নমূলক কাজের জন্য এটি প্রয়োজনীয়।
কিন্তু এই খবর প্রকাশের পরপরই বাংলাদেশের নোয়াখালীতে একটি প্রাচীন হিন্দু মন্দির ধ্বংসের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ ওঠে। স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের দাবি, প্রায় পাঁচশো বছরের ঐতিহাসিক এই মন্দিরটি সম্পূর্ণ ভেঙে ফেলা হয়েছে ।
আরও দেখুনঃ গাইবান্ধায় রাম মূর্তি প্রাঙ্গনে তালা-ব্যারিকেড! ৮৪ ফুট মূর্তি ধূলিস্যাতের আশঙ্কায় হিন্দুরা
তারেক রহমানের নির্দেশে এই ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়েছে বলে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনা চলছে। অভিযোগকারীরা বলছেন, পশ্চিমবঙ্গের মসজিদ স্থানান্তরের প্রতিক্রিয়ায় এটি একটি প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ। শুভেন্দু অধিকারী মসজিদ শুধু স্থানান্তর করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু তারিক রহমান পুরো মন্দিরটি ধ্বংস করার সিদ্ধান্ত নেন বলে সমালোচকরা মন্তব্য করেছেন।
একই সময়ে বাংলাদেশে গাইবান্ধা উপজেলায় ৮০ ফুটের রামমূর্তি নির্মাণের কাজও বন্ধ করে দেওয়া হয়। মন্দির কমিটির সদস্যদের অভিযোগ, ইসলামপন্থী গোষ্ঠীর চাপ ও হুমকির মুখে প্রশাসন কাজ বন্ধ করতে বাধ্য হয়। রাম মন্দির নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায় আতঙ্কিত। অনেকে বলছেন, সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর চাপ বাড়ছে। বাংলাদেশে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিভিন্ন জায়গায় হিন্দু মন্দির ও বাড়িঘরে হামলার ঘটনা ঘটেছে, যা আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
আরও দেখুনঃ ৭০০ কর্মী নিহত-হিন্দু অত্যাচারেই প্রত্যাবর্তন! বিস্ফোরক আওয়ামী নেতা মহিবুল





