পরিষেবা না মেলায় ক্ষোভ, বাঁকড়া ৩ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস ঘেরাও স্থানীয়দের

পঞ্চায়েত (Howrah) থেকে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন পরিষেবা না পাওয়ার অভিযোগ তুলে মঙ্গলবার দুপুরে হাওড়ার বাঁকড়া তিন নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখালেন স্থানীয়…

পঞ্চায়েত (Howrah) থেকে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন পরিষেবা না পাওয়ার অভিযোগ তুলে মঙ্গলবার দুপুরে হাওড়ার বাঁকড়া তিন নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখালেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অভিযোগ, এলাকার সাধারণ মানুষ বারবার পঞ্চায়েত দফতরে গিয়েও প্রয়োজনীয় পরিষেবা পাচ্ছেন না। বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা, নথি সংক্রান্ত কাজ এবং স্থানীয় সমস্যার সমাধান নিয়ে ক্ষোভ জমছিল বাসিন্দাদের মধ্যে। সেই ক্ষোভ থেকেই এদিন বহু মানুষ একত্রিত হয়ে পঞ্চায়েত অফিসের সামনে বিক্ষোভে সামিল হন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ,(Howrah) পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষের সমস্যাগুলিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে না। দীর্ঘদিন ধরে একাধিক সমস্যার সমাধানের জন্য আবেদন জানানো হলেও কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে দাবি তাঁদের। এর প্রতিবাদেই এদিন পঞ্চায়েত কার্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভ শুরু করেন তাঁরা।

বিক্ষোভ চলাকালীন পরিস্থিতি ধীরে ধীরে (Howrah) উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, উত্তেজিত জনতার একাংশ পঞ্চায়েত অফিসের জানলা ভাঙচুর করে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। পঞ্চায়েত কার্যালয়ের সামনে ভিড় বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদেরও মোতায়েন করা হয়।

পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা হয়। এলাকায় যাতে নতুন করে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, তার জন্য নজরদারি বাড়ানো হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত প্রশাসনিক আধিকারিকরা বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেন।

বিক্ষোভকারীদের দাবি, তাঁরা কোনও অশান্তি করতে চান না, তবে তাঁদের ন্যায্য দাবিগুলি প্রশাসনের কাছে পৌঁছে দেওয়াই তাঁদের উদ্দেশ্য। দীর্ঘদিন ধরে পরিষেবা না পাওয়ার কারণে বাধ্য হয়েই তাঁরা রাস্তায় নেমেছেন বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, সাধারণ মানুষের সমস্যা সমাধানের জন্য যে পঞ্চায়েত ব্যবস্থা তৈরি হয়েছে, সেখানে যদি মানুষকেই বারবার হয়রানির শিকার হতে হয়, তাহলে ক্ষোভ তৈরি হওয়াই স্বাভাবিক।

অন্যদিকে, পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখা হবে এবং সাধারণ মানুষের সমস্যার সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তবে সরকারি কার্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনাকে সমর্থন করা যায় না বলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।