নয়াদিল্লি: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি বক্তব্য (USAID)ভারতীয় রাজনীতিতে নতুন করে আলোড়ন তুলেছে। তিনি দাবি করেছেন, ইউএসএআইডি (ইউনাইটেড স্টেটস এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট) ভারতের নির্বাচনে কাউকে জেতাতে ২১ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ২.১ কোটি ডলার) খরচ করার পরিকল্পনা করেছিল।
এই দাবির পর দেশে বিদেশি তহবিল নিয়ন্ত্রণের নতুন বিল নিয়ে বিতর্ক আরও জোরদার হয়েছে। বিরোধী দলগুলো, বিশেষ করে কংগ্রেস, এই বিল নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছে।ট্রাম্পের এই মন্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। তিনি বলেন, বিদেশি সংস্থা ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করতে চেয়েছিল। যদিও এই দাবির পক্ষে এখনও কোনো নির্দিষ্ট প্রমাণ প্রকাশ্যে আসেনি, তবু এটি দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে আলোচনা শুরু করে দিয়েছে।
আরও দেখুনঃ ‘মরা মাছের মত চোখওয়ালা মূর্তিমান শয়তান!’ জ্যোতি বসু নিয়ে বিস্ফোরক তথাগত
সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে, বিদেশি তহবিল যাতে নির্বাচন বা রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত না হয়, সেজন্য নতুন বিল আনা হয়েছে। এতে এনজিওগুলোকে কঠোর নিয়ম মানতে হবে এবং আইন না মানলে ব্ল্যাকলিস্ট করা হবে।কংগ্রেসসহ বিরোধী দলগুলো এই বিলকে “গণতন্ত্রের উপর আঘাত” বলে বর্ণনা করছে। তাদের অভিযোগ, সরকার এই আইনের মাধ্যমে বিরোধী কণ্ঠস্বর দমন করতে চায়।
কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী বলেন, “এনজিওগুলো দেশের বিভিন্ন প্রান্তে দরিদ্র, মহিলা ও শিশুদের জন্য কাজ করে। তাদের উপর এমন নিয়ন্ত্রণ আসলে সমাজসেবামূলক কাজ বন্ধ হয়ে যাবে।” অনেকে মনে করছেন, ট্রাম্পের দাবির পর বিরোধীরা আরও বেশি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে কারণ এটি বিদেশি অর্থের উৎস নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে।অন্যদিকে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এই বিল কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নয়।
আরও দেখুনঃ ‘মরা মাছের মত চোখওয়ালা মূর্তিমান শয়তান!’ জ্যোতি বসু নিয়ে বিস্ফোরক তথাগত
এটি শুধু স্বচ্ছতা আনার জন্য। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ একটি সাক্ষাৎকারে বলেন, “বিদেশি টাকা যদি নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলে, তাহলে গণতন্ত্র বিপন্ন হয়। আমরা চাই না কোনো বিদেশি শক্তি আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করুক।” সরকারের মতে, অনেক এনজিও বিদেশি তহবিল নিয়ে ধর্মান্তর, সাম্প্রদায়িক বিভেদ বা অন্যান্য সন্দেহজনক কাজে জড়িত ছিল। নতুন আইন সেই পথ বন্ধ করবে।





