দলের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক চাপের মুখে পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। একদিকে একাধিক বিধায়ক ও সাংসদের অসন্তোষ, অন্যদিকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার একাধিক তলব সব মিলিয়ে শাসকদলের ভিতরে অস্থিরতা ও টানাপোড়েনের ছবি ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, দলের অভ্যন্তরীণ সমীকরণে এখন বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে।(Abhishek Banerjee)
সূত্রের খবর, দলের একাধিক বিধায়ক এবং সাংসদ ইতিমধ্যেই নেতৃত্বের বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের একাংশ নাকি প্রকাশ্যে ক্ষোভ জানিয়ে দলীয় অবস্থান থেকে সরে দাঁড়ানোর কথাও বলেছেন। এমনকি কিছু নেতা-কর্মীর তরফে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি ইঙ্গিত করে দাবি করা হয়েছে, দলের স্বার্থে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) ভূমিকা পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন। যদিও এই ধরনের মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দলের ভিতরে চাপা উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) বিরুদ্ধে একাধিক মামলা এবং কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিআইডির বারবার তলবও রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠেছে। বিরোধীরা এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে লাগাতার আক্রমণ শানাচ্ছে। তবে তৃণমূলের তরফে বরাবরই দাবি করা হয়েছে, এসব তদন্ত রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং দলকে কোণঠাসা করার চেষ্টা মাত্র।
এই পরিস্থিতির মধ্যেই মঙ্গলবার সোশ্যাল মিডিয়ায় বড় ঘোষণা করলেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি একটি পোস্ট করে নতুন কর্মসূচির সূচনা করেন, যার নাম দেওয়া হয়েছে “এক ডাকে অভিষেক”। ওই পোস্টে উল্লেখ করা হয়, নির্বাচন-পরবর্তী হিংসার কারণে যেসব দলীয় কর্মী ঘরছাড়া হয়েছেন, নিপীড়নের শিকার হয়েছেন বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে মিথ্যা মামলায় জড়িয়েছেন, তাঁদের আইনি সহায়তা দেওয়ার জন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর পোস্টে আরও জানান, এই কর্মসূচির মাধ্যমে দলীয় কর্মীদের জন্য একটি বিশেষ হেল্পলাইন চালু করা হয়েছে। হেল্পলাইন নম্বরটি হলো ৭৮৮৭৭৭৮৮৭৭। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এই নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে বলে জানানো হয়েছে। এই পরিষেবার মাধ্যমে আইনি সহায়তা, পরামর্শ এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে বলে দাবি করা হয়েছে।





